AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Supreme Court on Sumit Roy: ‘এজেন্সি সময়ে-সময়ে তৎপর হয়ে ওঠে’, সুমিতের মামলায় ED-CBI-কে ভর্ৎসনা বিচারপতি বাগচীর

Supreme Court of India: এরপর এই বক্তব্য চ্যালেঞ্জ করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন,"তাঁকে (সুমিত) প্রাসঙ্গিক সব প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই প্রমাণ আছে। আমরা আদালতে সব আমরা জমা দেব। ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নগদ কালো টাকা অন্য কোথাও রাখা আছে। সম্প্রকি দু'কোটি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।"

Supreme Court on Sumit Roy: 'এজেন্সি সময়ে-সময়ে তৎপর হয়ে ওঠে', সুমিতের মামলায় ED-CBI-কে ভর্ৎসনা বিচারপতি বাগচীর
সুপ্রিম কোর্টে সুমিত রায়Image Credit: PTI
| Edited By: | Updated on: Aug 31, 2026 | 12:34 PM
Share

নয়া দিল্লি: রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে একাধিক মামলা হয়েছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ও তাঁর আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়ের (Sumit Roy)-এর বিরুদ্ধে। সোমবার সুমিত রায়ের একটি কেসে আগাম জামিনের মামলা সুপ্রিম কোর্টে ওঠে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের ভর্ৎসনার মুখে ইডিসহ কেন্দ্রীয় এজেন্সি। প্রসঙ্গ ওঠে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্সেরও’। তখনই তদন্তের শ্লথ গতি নিয়ে বিচারপতিদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে সুমিতের মামলার শুনানি চলছিল। কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, একটি রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট থেকে ৩০ কোটি টাকা ‘লিপস্ এন্ড বাউন্স’- এর মত ‘দাগী’ সংস্থার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। সেই সময়ই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ভর্ৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

বিচারপতি বলেন,”লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর প্রসঙ্গ যত কম টানা যায় ততই আপনাদের জন্য ভালো। তদন্তকারী সংস্থা বরাবর ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর কেসে তদন্তের ক্ষেত্রে গড়িমসি করেছে। কলকাতা হাইকোর্টের একের পর এক বিচারক এই বিষয়ে একাধিকবার বিভিন্ন নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু হেফাজতে নিয়ে জেরা করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় এজেন্সির কখনই সদিচ্ছা দেখা যায়নি। এই ক্ষেত্রে তদন্তকারী এজেন্সি কখনো অদ্ভুতভাবে শ্লথ হয়ে গিয়েছে। আবার কখনও সময়ে-সময়ে অতি তৎপর হয়ে ওঠে। তদন্তের ক্ষেত্রে সব সময় একটা নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা থাকা উচিত।”

এরপর সুমিত রায়ের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণের অভিযোগ করেন, এগারো দিনে দিনভর জেরা করা হয়েছে। কিন্তু যে বিষয় নিয়ে অভিযোগ, সেই বিষয়ে একবারও প্রশ্ন করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিয়োগ্রাফি করা হয়েছে।

এরপর এই বক্তব্য চ্যালেঞ্জ করে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন,”তাঁকে (সুমিত) প্রাসঙ্গিক সব প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই প্রমাণ আছে। আমরা আদালতে সব আমরা জমা দেব। ১০ লক্ষ টাকা জমা পড়েছে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। নগদ কালো টাকা অন্য কোথাও রাখা আছে। সম্প্রকি দু’কোটি টাকা অন্য অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।” পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের ট্রান্সক্রিপ্ট চায় সুপ্রিম কোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার।

Follow Us