
নয়া দিল্লি: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি-সহ ইন্ডিয়া জোটের একাধিক নেতা। বৃহস্পতিবার সেই মামলায় নির্বাচন কমিশনকে নোটিস জারি করল দেশের শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশীকেও নোটিস পাঠিয়েছে। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেন, আবেদনকারীদের মধ্যে একজনকে তাঁর আচরণ সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে বলা হবে।
আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতার সওয়াল, “আমরা আদালত অবমাননার মামলার নোটিসের প্রেক্ষিতে হলফনামা জমা করেছি। হলফনামায় নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সরকার ক্ষমা চেয়েছে। কিন্তু এটা ঠিক নয়। আমরা আমাদের অবস্থানও ব্যাখ্যা করেছি।” এরপর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সওয়াল, “আমরা এখনও রিপোর্ট পড়িনি।”
এদিন, রাহুল গান্ধীর পক্ষে হাইকোর্টে সওয়াল করছেন কপিল সিব্বল। আজ আদালতে রাহুল গান্ধীর নাম না করে প্রধান বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “একজন পিটিশনারের কাজকর্ম নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে চাই।”
এদিকে, গত ১২ অক্টোবর, সোমবার, রাহুল গান্ধি-সহ বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্টের দিকে মিছিল করে এগিয়েছিলেন। আদালত চত্বরে বিপুল মানুষের জমায়েত হয়। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধি নিজেই আবেদন জমা দেবেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রি বন্ধ হওয়ার সময় হয়ে আসায় আইনজীবীদের মাধ্যমে আবেদন জমা দেওয়া হয়। এরপর নেতারা রেজিস্ট্রি দফতরে গেলে আদালত চত্বরে ফের ভিড় ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। বৃহস্পতিবারের শুনানিতে আবেদনকারীদের একজনের আচরণ নিয়ে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করেছে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে চলা র্যালি নিয়েই প্রশ্ন করতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই ঘটনায় হুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে সহ ১১ জন বিরোধী নেতার উদ্দেশ্যে নোটিস ইস্যু করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
মামলার ব্যাকগ্রাউন্ড