
নয়া দিল্লি: ১০ অক্টোবর, সুপ্রিম কোর্টের তরফে আগেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, দিল্লিতে যাতে কোনও মেট্রো স্টেশন বন্ধ না রাখা হয়, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ না রাখা হয়, কিন্তু তারপরও অভিযোগ ওঠে বেশ কিছু মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে, ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ। তার প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, বিশৃঙ্খলা এড়াতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে নির্দেশ অমান্য করা হয়নি। রাইসিনা হিলসের ৪ কিমি ব্যাসার্ধে বন্ধ ছিল মোবাইল ইন্টারনেট।
কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ধরে রাখার জন্যই যাবতীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। হলফনামা জমা দিয়েছে কমিশনার অনুরাগ কুমার। তিনি জানিয়েছেন, যেভাবে সারা শহরের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি কার্যত থ্রেটের মুখে ছিল, সেক্ষেত্রে দিল্লি পুলিশকে ব্যবস্থাপনা করতেই হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, যে জায়গায় BNS এর ১৬৩ ধারা জারি ছিল, সেখান থেকেই তাঁরা ধরপাকড় করেছেন। যেখানে জমায়েতের নিষেধাজ্ঞা ছিল, সেখানে যদি বেআইনিভাবে কেউ জমায়েত করেন, তাহলে ধরপাকড় করতেই হবে।
পাশাপাশি দিল্লি মেট্রো রেলওয়ে কর্পোরেশন অর্থাৎ DMRC-র তরফ থেকে পাল্টা একটি হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছে, দিল্লি শহরে মোট ৩৩০ টি মেট্রো স্টেশন রয়েছে, মাত্র ৩৫ টা তারা বন্ধ করেছে। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই তারা এই পদক্ষেপ করেছে।