Supreme Court on Recruitment: ‘নিয়োগ প্রক্রিয়াই যেখানে বৈধ নয়, যোগ্যতা যাচাই করে কী হবে!’ বড় প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি দত্ত

Madrasa Recruitment: মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে এড়িয়ে ২০১৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে লাগাতার মাদ্রাসাগুলির পরিচালন সমিতি একতরফাভাবে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করেছে। স্বাভাবিকভাবেই যে নিয়োগে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নেই, সেখানে রাজ্য সরকার কেন বেতন দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট।

Supreme Court on Recruitment: নিয়োগ প্রক্রিয়াই যেখানে বৈধ নয়, যোগ্যতা যাচাই করে কী হবে! বড় প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি দত্ত
সুপ্রিম কোর্টে মাদ্রাসা-নিয়োগ মামলাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

May 20, 2026 | 5:07 PM

নয়া দিল্লি: সিলেকশন প্রক্রিয়া বৈধ না হলে নিয়োগও বৈধ হওয়া সম্ভব নয়। মাদ্রাসার নিয়োগে বৈধরা সুযোগ পায়নি। পশ্চিমবঙ্গের মাদ্রাসার নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। মঙ্গলবারই মাদ্রাসা নিয়োগ মামলা আদালতে উঠলে, বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহর ডিভিশন বেঞ্চ বলে, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা হয়েছে। বুধবারের শুনানিতেও উঠল একই প্রশ্ন।

কী বলল সুপ্রিম কোর্ট

এদিন শুনানি-পর্বে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন, তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে বিচার করতে হবে, নিয়োগ বৈধ কি না। প্রথমত, নিয়োগ প্রক্রিয়া সরকারি নিয়মে অনুমোদিত কি না, দেখতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যাচাই করতে হবে। তৃতীয়ত, প্রার্থী বৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে পাস করেছেন কি না, সেটা দেখতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গে মাদ্রাসার নিয়োগে একাধিক ক্ষেত্রে স্বজন পোষণ হয়েছে বলে পর্যবেক্ষণে ইঙ্গিত দেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত। তিনি বলেন, “যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের থেকে অনেক বেশি যোগ্যরা সুযোগ পাননি। সে ক্ষেত্রে কী হবে?” যেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়াই বৈধ নয়, সেখানে প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাই কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

এক এক করে শুনানি করছে সুপ্রিম কোর্ট

প্রায় হাজারের কাছাকাছি বিতর্কিতভাবে নিযুক্ত শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে ১০ জন শিক্ষক এবং শিক্ষা কর্মীর নিয়োগকে নমুনা হিসেবে ধরে নিয়ে এক এক করে শুনানি করছে সুপ্রিম কোর্ট।

প্রসঙ্গত, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে এড়িয়ে ২০১৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে লাগাতার মাদ্রাসাগুলির পরিচালন সমিতি একতরফাভাবে শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করেছে। স্বাভাবিকভাবেই যে নিয়োগে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নেই, সেখানে রাজ্য সরকার কেন বেতন দেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। আর এই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন একাধিক যোগ্য প্রার্থীর দাবিদাররা।

Follow Us