
নয়া দিল্লি: জোড়া মামলায় আজ দলত্যাগীদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আইনি সংঘাতে মমতা-তৃণমূল। আজ সোমবার প্রধান বিচারপতির এজলাসে ঋতব্রত তৃণমূল তথা গণতান্ত্রিক তৃণমূল এবং এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া সাংসদদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানি রয়েছে। জোড়া মামলায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে বিধানসভা এবং লোকসভার স্পিকারের দিকে।
ঋতব্রত শিবিরের ১০ জন সিনিয়র বিধায়কের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে বিধানসভার স্পিকার কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেননি, এই অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। আজ, রয়েছে সেই মামলার শুনানি। ১০ জন বিধায়কের মধ্যে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়, সন্দীপন সাহা, ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্রের মতো বিধায়করা।
কলকাতা হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলা চলাকালীনই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মমতা তৃণমূল। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসে বিধানসভার সচিবালয়। মামলা হওয়ার পরই বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের অবস্থান জানাতে চিঠি দিয়েছেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। একইসঙ্গে বিরোধী দলনেতার শিবিরের আরও ৯ জন বিধায়ককেও এই চিঠি দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে এনসিপিআই ইস্যুতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্পিকারের কতদিন সময় লাগবে তা সলিসিটর জেনারেলের কাছে ইতিমধ্যেই জানতে চেয়েছে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ। গোটা বিষয়টিতে স্পিকারের পদক্ষেপ নজরদারিতে রাখা হবে বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।
শুনানি পর্বে প্রধান বিচারপতি সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতাকে বলেন, “অধ্যক্ষের সঙ্গে কথা বলে সময় সীমা জানুন, কতদিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” সলিসিটর জেনারেল জানান, স্পিকার স্বতন্ত্র সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তার কাজে সুপ্রিম কোর্টের মত আরেকটি সাংবিধানিক সংস্থার নজরদারি কাম্য নয়।