
নাসিক: টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসের (Tata Consultancy Service) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ। কর্মীদের যৌন হেনস্থা থেকে শুরু করে ধর্ষণ, এমনকী ধর্মান্তকরণের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যেই সাত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই বড় পদক্ষেপ। বন্ধ হয়ে গেল টিসিএসের (TCS) ওই অফিস।
জানা গিয়েছে, বিতর্কিত ঘটনাটি সামনে আসতেই মহারাষ্ট্রের নাসিকে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের বিপিও বন্ধ করে দেওয়া হল। আপাতত কর্মীদের বাড়ি থেকেই কাজ করতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নোটিস না আসা পর্যন্ত ওয়ার্ক ফ্রম হোম-ই চলবে।
সম্প্রতিই টিসিএসের নাসিক সেন্টারের বিরাট পর্দাফাঁস হয়। জানা যায়, সংস্থার অন্দরে কর্মীদের যৌন হেনস্থা, মানসিক অত্যাচার, শারীরিক নিগ্রহ ও ধর্মান্তকরণ করার চেষ্টা চলত। অভিযোগ সামনে আসতেই পুলিশ ছদ্মবেশে অফিসে কাজ করা শুরু করে এবং গোটা ঘটনা প্রত্যক্ষ করে। প্রমাণের ভিত্তিতে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও পলাতক মহিলা এইচআর ম্যানেজার।
কমপক্ষে টিসিএসের নয়জন কর্মী জানিয়েছেন যে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই এই ধরনের নিগ্রহ চলছিল। কর্মীদের বাধ্য করা হত নির্দিষ্ট ধর্মাচারণ করতে। পুলিশ মোট নয়টি এফআইআর দায়ের করেছে। স্টেট ইনটেলিজেন্স ডিপার্টমেন্ট, অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড ও ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন-কেও তদন্তে যোগ করা হয়েছে। জাতীয় মহিলা কমিশনও নিজস্ব তদন্ত কমিটি তৈরি করেছে।