
নয়া দিল্লি: ট্রেনে চেপে লম্বা সফর। দু পাশে সবুজের মাঝখান দিয়ে ট্রেন যখন ছুটে যায়, তখন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কীভাবে কেটে যায়, তা বোঝা ভার। তবে অতি দীর্ঘ যাত্রা হলে তা একঘেয়েমিতে পরিণত হয়। যদি একটানা ৭ দিন ট্রেনে যাত্রা করতে হয়, তাহলে? এমনও একটি ট্রেন আছে, যাতে চেপে গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লাগে ৭ দিন। এটা বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ একটি রুট।
১. অসমের ডিব্রুগড় থেকে তামিলনাড়ুর কন্যাকুমারী পর্যন্ত যায় এই ট্রেন। এই রুটের দূরত্ব প্রায় ৪২৩৭ কিলোমিটার। এটি বিশ্বের পঞ্চম দীর্ঘতম ট্রেন রুট। ‘বিবেক এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি এই রুটে চলে, যা এই দূরত্ব পার করতে প্রায় ৭২ ঘন্টা অর্থাৎ তিন দিন লাগে।
২. অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী সিডনিকে পার্থের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে যে রুট তার দৈর্ঘ্য ৪৩৫২ কিমি এবং এটি বিশ্বের চতুর্থ দীর্ঘতম ট্রেন রুট। ৪ দিনে যাত্রা শেষ করে এটি। এই ট্রেন রুটটি ভারত মহাসাগরের উপকূল ধরে চলে এবং প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলে পৌঁছে যায়।
৩. সাংহাই থেকে লাসা ট্রেন রুট। চিনের এই ট্রেন রুটটি শিল্প শহর সাংহাইকে লাসার সঙ্গে যুক্ত করেছে। এই পথটি প্রায় ৪৩৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং দৈর্ঘ্যের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই যাত্রা শেষ করতে প্রায় ৪৭ ঘন্টা সময় লাগে নেয়।
৪. ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলওয়ে রুট হল বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন রুট। এই রুটটি রাশিয়ার রাজধানী মস্কোকে ভ্লাদিভোস্টকের সঙ্গে যুক্ত করেছে। এই পথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৯২৫৯ কিলোমিটার। এই যাত্রা শেষ করতে সময় লাগে ৭ দিন। এই পুরো পথ ঠান্ডা। বছরের যে কোনও মাসে সেখানে গেলে রাস্তায় বরফ দেখতে পাবেন।