
কলকাতা ও নয়াদিল্লি: একসময় তাঁরা একই রাজনৈতিক দল করতেন। আজ একজন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয়জন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদ। প্রথমজন হলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর দ্বিতীয়জন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদরা ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অব ইন্ডিয়া নামে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর শুভেন্দুকে নিয়ে মুখ খুললেন সুদীপ। টিভি৯ বাংলায় এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে শুভেন্দুর ভূয়সী প্রশংসা করলেন। অধিকারী পরিবারের সঙ্গে তাঁর বহু দিনের সম্পর্কের কথা তুলে ধরলেন সুদীপ।
শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে কী বললেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়?
টিভি৯ বাংলাকে সুদীপ বলেন, “শুভেন্দুর সঙ্গে কথা বলেও অত্যন্ত ভালো লেগেছে। শুধু হকার উচ্ছেদ-সহ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা হলে আবার কথা বলব। গরিব মানুষকে বিকল্প ব্যবস্থা করে এই কাজগুলো করলে ভালো হয়। কিন্তু, সে অত্যন্ত সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে আমার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।”
পুরনো কথা স্মরণ করে কলকাতা উত্তরের সাংসদ বলেন, “আমার সঙ্গে শুভেন্দু একসময় লোকসভায় ছিল। লোকসভায় আমার ও শুভেন্দুর সচিব একজনই ছিলেন। ওর বাবাকে তৃণমূলে আমি নিয়ে এসেছিলাম। ওর ভাই দিব্যেন্দু সংসদে থাকাকালীন আমায় নিয়মিত মাছ খাওয়াত। মেদিনীপুরে ভালো মাছ পাওয়া যায়। এইসব নিয়ে একটা সুন্দর সম্পর্ক রয়েছে।” এরপর তিনি বলেন, “কিন্তু, এখন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর টেলিফোনে যেভাবে কথা বলছে, নিজে থেকে উদ্যোগ নিয়ে কথা বলছে, সেটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। আমার মনে হয়, ওকে সদর্থক ভাবে পরামর্শ দিলে সেগুলো শুনবে।”
অমিত শাহর প্রশংসা সুদীপের-
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের দলে যোগ দেওয়ার পর শনিবার দিল্লি এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছেন সুদীপ। তাঁদের মধ্যে ৭০ মিনিট বৈঠক হয়। এই নিয়ে তিনি বলেন, “কী কী আলোচনা হয়েছে বলব না। তবে অনেক কথা বলেছি। সৌগত রায়কে পচা ডিম ছুড়ে মারার কথা অমিত শাহকে বলেছি। অমিত শাহ সৌগতদা বলেন। আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলে অত্যন্ত মুগ্ধ হয়েছি।”