
নয়া দিল্লি: সিজেপি এবং বিরোধীদের লাগাতার নির্বাচন কমিশন বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে দিল্লি পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে আজ সরাসরি দিল্লি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।
জানা গিয়েছে, আজ দুপুর তিনটে নাগাদ দিল্লি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে যেতে পারেন তিনি। গত ৬ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত দিল্লিতে যে যে বিক্ষোভ প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ব্রিফ করবেন দিল্লি পুলিশ কমিশনার-সহ অন্যান্য সিনিয়র আধিকারিকরা।
সিজেপির বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিকে দূর্গে পরিণত করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক এবং দিল্লি পুলিশ। স্বরাষ্ট্র সচিব এবং দিল্লি পুলিশ আধিকারিকদের সুপ্রিম কোর্টে হাজিরা দিতে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। বিক্ষোভ ঠেকাতে বেআইনি বলপ্রয়োগের অভিযোগে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছে দিল্লি পুলিশকে।
সূত্রের খবর, আজ বৈঠকে বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে রাজধানীর পুলিশের ভূমিকা পর্যালোচনা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ। দিল্লিতে আন্দোলনে কী কী ঘটেছিল, তার বিস্তারিত বিবরণ জানবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে, দীপাবলির পর ফের পুরোদমে রাজপথে প্রতিবাদে নামতে চলেছে বিরোধীরা। সেই আন্দোলন কীভাবে সামলানো হবে তা নিয়েও আলোচনা হবে। এমনটাই খবর।
জানা গিয়েছে, আলোচনার অ্যাজেন্ডায় থাকছে ড্রাগ পেডলারস নেটওয়ার্ক, স্থানীয় গ্যাংস্টার এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে পর্যালোচনাও।
এদিকে, সিজেপি এবং বিরোধীদের বিক্ষোভ প্রতিবাদের সময় দায়ের হওয়া মামলার মধ্যে ৫৭টি কেস ট্রান্সফার করা হয়েছে দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চকে। মূলত বিক্ষোভের সময় গুরুতর অপরাধ, দাগী আসামিদের অংশগ্রহণ এবং পুলিশ কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদের হেনস্থার ঘটনায় দায়ের হওয়া কেসের তদন্ত করবে ক্রাইম ব্রাঞ্চ। এর মধ্যে রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া তিনটি এফআইআর রয়েছে। অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, নেহা বোরা-সহ সিজেপি এবং আইসা নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও দায়ের হওয়া এফআইআর-এর তদন্তভার দেওয়া হয়েছে দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চকে। এরমধ্যে পুলিশ এবং নিরাপত্তারক্ষীদের হেনস্থা করার এফআইআর রয়েছে ১০টি।