
লখনউ: আমাদের দেশে এখনও মহিলাদের যৌনতার স্বাধীনতা নেই। মহিলারা খোলাখুলি তাদের যৌন চাহিদার কথা প্রকাশ করতে পারেন না। দেশের অধিকাংশ এলাকাতেই যৌনতার ক্ষেত্রে এখনও স্বামী বা পুরুষ সঙ্গীই শেষ কথা বলে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে বৈবাহিক ধর্ষণের শিকারও হন মহিলারা। উত্তরপ্রদেশের হামিরপুর জেলায় এই রকমই এক ঘটনায়, স্বামীর গোপনাঙ্গে কামড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক মহিলার বিরুদ্ধে। দিনের পর দিন তাঁকে অস্বাভাবিক যৌনতায় বাধ্য করেছিলেন স্বামী, এমনি অভিযোগ ওই মহিলার। আর তাতেই বিরক্ত হয়ে ওই কাণ্ড ঘটিয়েছেন তিনি।
উদ্ভট এই ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার (২৮ জানুয়ারি)। মহিলার দাবি প্রায়শই, তাঁর স্বামী রামু নিষাদ তাঁকে অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করতেন। তাঁর কোনও ওজর আপত্তি শুনতেন না স্বামী। ঘটনার দিন, এই নিয়ে ওই দম্পতির মধ্যে আরও এক প্রস্থ বিবাদ হয়। এরপরই, বিরক্ত স্ত্রী, তাঁর স্বামীর গোপনাঙ্গে দাঁত দিয়ে বেশ জোরে কামড়ে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটান। ৩৪ বছরের রামু নিষাদের গোপনাঙ্গ থেকে ঝর-ঝর করে রক্ত পড়তে থাকে।
এরপর, গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে নিকটবর্তী এক হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন পরিবারের বাকিরা। হাসপাতাল তেকে জানানো হয়েছিল, তাঁর অবস্থা গুরুতর। পরবর্তী সময়ে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায়, তাঁকে আরও উন্নত সুবিধা আছে, এমন এক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আপাতত সেখানেই তিনি ভর্তি আছেন। তাঁর চিকিৎসা চলছে। কামড়ে তাঁর পুরুষাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছেন স্ত্রী বলে, জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযুক্ত মহিলার বিরুদ্ধে স্বামীকে ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করার দায়ে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় এবং অপরাধমূলক ভয় দেখানোর কারণে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার মামলা করা হয়েছে। অনুপ সিং নামে এক পদস্থ সিনিয়র পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, তদন্তের পর অভিযুক্তর বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।