Govt Jobs: আন্দোলনে অংশ নিলেই সরকারি চাকরিতে সুযোগ পাবে না, বড় নির্দেশিকা

Uttar Pradesh Govt: যাদের সরাসরি নিয়োগ হচ্ছে বা হবে, তাদের ক্ষেত্রে এই চরিত্র ভেরিফিকেশন আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকার নির্দেশে জানিয়েছে যে সরকার বদলের জন্য হিংস্র আচরণ বা আন্দোলনের অংশ হলে, তাদের সরকারি চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে।   

Govt Jobs: আন্দোলনে অংশ নিলেই সরকারি চাকরিতে সুযোগ পাবে না, বড় নির্দেশিকা
আন্দোলনে অংশ নিলেই বাদ সরকারি চাকরি থেকে।Image Credit source: PTI

|

Oct 29, 2026 | 1:12 PM

লখনউ: যারা সরকার বদলের ডাক দিয়ে আন্দোলনে যোগ দেবে, তাদের জন্য সরকারি চাকরির দরজা বন্ধ। এই নির্দেশ দিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। একের পর এক আন্দোলনের আবহে এই সিদ্ধান্ত নিয়েও জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দিয়েছেন। যাদের সরাসরি নিয়োগ হচ্ছে বা হবে, তাদের ক্ষেত্রে এই চরিত্র ভেরিফিকেশন আরও কঠোর করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকার নির্দেশে জানিয়েছে যে সরকার বদলের জন্য হিংস্র আচরণ বা আন্দোলনের অংশ হলে, তাদের সরকারি চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে।

পুলিশ ভেরিফিকেশন-

আবেদন পাঠানোর ৩০ দিনের মধ্যে জেলা পুলিশ ও লোকাল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটকে ক্যারেক্টার ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তারা বাড়িতে গিয়ে ভেরিফিকেশন করবে। তখন আবেদনকারীর ফিজিক্যালি উপস্থিত থাকতে হবে। রিপোর্ট জমা দিতে দেরি হলে, স্বরাষ্ট্র দফতর তা নজরদারি করবে।

এফআইআর হলেই চাকরি থেকে বাদ নয়-

তবে সরকার এও জানিয়েছে যে শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে কাউকে চাকরি থেকে বিতাড়িত করা হবে না। শুধুমাত্র এফআইআর হলে বা তদন্তাধীন থাকলেই, আবেদনকারীকে ডিসকোয়ালিফাই করা হবে না। এলাহাবাদ হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি এম দেবরাজ এই নির্দেশিকা জারি করেছে।

রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ, কর্পোরেশন, কাউন্সিল ও স্থানীয় প্রশাসনে যাদের সরাসরি নিয়োগ করা হবে, তাদের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হবে। এতে আরও বলা হয়েছে, ২১ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার পর যাচাইয়ের তারিখের আগের তিন বছরের মধ্যে কেউ যদি এই ধরনের কার্যকলাপে যুক্ত থাকেন, তাহলে ধরে নেওয়া হতে পারে যে তিনি এখনও সক্রিয়ভাবে ওই কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত।

তবে, ওই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, এমন নির্দিষ্ট ও সুনির্দিষ্ট প্রমাণ থাকলে এই ধারণা পুনর্বিবেচনা করা যেতে পারে। নির্দেশিকায় ফের স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কাউকে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে না।

বিরোধীদের আক্রমণ-

এই নির্দেশিকা জারির পরই বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টি কড়া আক্রমণ করেছে।  সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র বলেছেন, “এই ধরনের নির্দেশ ব্রিটিশ শাসনের সময় জারি করা হত। স্বাধীন ভারতে সকলের বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করার অধিকার আছে। আইনি, প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সরকার বদল হয়। নির্বাচনের পর এটা হয়। প্রত্যেকেই এই প্রক্রিয়ায় স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us