
জম্মু ও কাশ্মীর: লোকসভা, রাজ্যসভা ও বিচারব্যবস্থা – তিনটি প্রতিষ্ঠানই সর্বসম্মতভাবে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীরে এক অনুষ্ঠানে গিয়ে বললেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। এই সিদ্ধান্তের ফলে জন সংঘের প্রতিষ্ঠাতা শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণ হয়েছে বলেও মনে করছেন তিনি। বৃহস্পতিবার জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় এক বায়োটেক স্টার্টআপ এক্সপোর উদ্বোধনে গিয়ে এই কথা বলেন উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়। কীভাবে উপত্যকা থেকে ভয়ের বাতাবরণ কমেছে বর্তমান সময়ে, সেই কথাও এদিন তুলে ধরেন ধনখড়।
উপরাষ্ট্রপতি বলেন, যে এলাকায় সবসময় বিপদের আশঙ্কা থাকত, সেই এলাকায় বর্তমান সময়ে বিপদ কাটতে দেখছে। তাঁর কথায়, “কেউ ভাবেনি যে ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হয়ে যাবে। সংবিধানে এটিকে অস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে বলা হয়েছিল, কিন্তু এটি পরে আমাদের জন্য অভিশাপে পরিণত হয়েছিল।” জম্মু ও কাশ্মীরের সামগ্রিক পরিস্থিতিতে বর্তমানে যে অভাবনীয় পরিবর্তন এসেছে, সে কথাও আজ উঠে আসে উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়ের গলায়।
কীভাবে আধুনিক ভারত গড়ে উঠছে বর্তমানকালে, সে কথাও বললেন জগদীপ ধনখড়। জোর দেন সম্প্রীতি ও পারস্পরিক স্থিতিশীলতার উপরেও। বায়োটেক স্টার্টআপ এক্সপোর উদ্বোধনে গিয়ে ধনখড় বলেন, “এক সময়ে পরিস্থিতি কী ছিল আপনাদের এলাকায়? আমি ১৯৮৯ সালে লোকসভার সাংসদ ছিলাম। কেন্দ্রের মন্ত্রীও ছিলাম। কাশ্মীরের পরিস্থিতি কী ছিল তখন? আমি সেই সময়ে কাশ্মীরে এসেছিলাম। আমি নিজের চোখে দেখেছি। আর আজ দেখুন একটি ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।”
ব্যাপক পরিবর্তনের কথা বোঝাতে গিয়ে জি-২০ প্রতিনিধিদের কাশ্মীর ভ্রমণ থেকে শুরু করে কাশ্মীরের পর্যটনের ঢালাও উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন তিনি। বর্তমানে যে বিনিয়োগকারীরা কাশ্মীরে লগ্নি ঢালতেও আগ্রহী হচ্ছেন, সে কথাও জানান উপরাষ্ট্রপতি ধনখড়।