Taj Hotel Agra Case: হোটেলের কর্মীকে চড় অতিথির, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হোটেল কর্তৃপক্ষের

Waiter Slap Case: কান্তি জানান, তিনি আগ্রার কাছে একটি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের ছেলে। এই হোটেলে চাকরি পাওয়া তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। তিনি ভয় পেয়েছিলেন, যদি তিনি চড় খাওয়ার ঘটনাটি কাউকে বলেন, তাহলে তাঁর চাকরি চলে যেতে পারে। এই ঘটনাটি জানার পরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরিতোষ।

Taj Hotel Agra Case: হোটেলের কর্মীকে চড় অতিথির, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ হোটেল কর্তৃপক্ষের
ওয়ে়টারImage Credit source: Getty Images

|

Oct 29, 2026 | 3:47 PM

আগ্রা: পরিষেবা নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির জেরে এক ওয়েটারকে চড় মারার অভিযোগ উঠল এক অতিথির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানার পরেই কড়া পদক্ষেপ নিল তাজ হোটেল আগ্রা কর্তৃপক্ষ। ওই অতিথিকে হোটেলে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কর্মীর সঙ্গে এমন দুর্ব্যবহার কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, স্পষ্ট জানিয়েছেন ওই হোটেলের পরিচালন সংস্থার এক কর্তা। এই ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এনেছেন পরিতোষ লাধানি। তিনি SLMG Beverages Pvt Ltd ও Sincere Developers এর যুগ্ম ম্যানেজিং ডিরেক্টর। তাঁর সংস্থার সঙ্গে তাজ আগ্রার পরিচালনার সম্পর্ক রয়েছে। সম্প্রতি LinkedIn-এ একটি পোস্ট করে গোটা ঘটনাটি জানান তিনি। একই সঙ্গে কর্মীদের সম্মান ও নিরাপত্তা প্রাপ্য, এই বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, হোটেলের রেস্তোরাঁয় এক অতিথিকে পরিষেবা দিচ্ছিলেন কান্তি নামের এক ওয়েটার। সেই সময় তাঁর সঙ্গে কথাবার্তায় ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়। কান্তির স্মার্টলি ইংরেজিতে কথা বলতে না পারার ফলেই এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এই ভুল বোঝাবুঝির জেরেই ওই অতিথি ওয়েটার কান্তিকে চড় মারেন। এই ঘটনাটি জানার পরেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন পরিতোষ। তিনি লেখেন, এই ঘটনা চরম নিন্দনীয়। এমন আচরণের জন্য ওই অতিথিকে তাজ আগ্রা হোটেলে আজীবনের জন্য ব্যান করে দেওয়া হয়েছে।

এমনকি পরিতোষ এও বলেন, চাকরি হারানোর ভয়ে মুখ খোলেননি কান্তি। কেন তিনি চুপ করে ছিলেন, তা জানতে চাইলে কান্তি জানান, তিনি আগ্রার কাছে একটি গ্রামের দরিদ্র পরিবারের ছেলে। এই হোটেলে চাকরি পাওয়া তাঁর কাছে স্বপ্নের মতো। তিনি ভয় পেয়েছিলেন, যদি তিনি চড় খাওয়ার ঘটনাটি কাউকে বলেন, তাহলে তাঁর চাকরি চলে যেতে পারে। এরপরেই ব্যান করার সিদ্ধান্ত পরিতোষের। পোস্টে তিনি লেখেন, তাঁর কর্মীকে শারীরিক হেনস্থা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাঁর হোটেলের সব কর্মীরই সম্মান প্রাপ্য। যদি কর্মীরা নিজেরা অপরাধ না করে চাকরি হারানোর ভয় পান, তাহলে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।

তাঁর এই পোস্টে ইতিমধ্যেই ৫০০০ এর বেশি প্রতিক্রিয়া এসেছে। বহু মানুষ কর্মীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য হোটেল কর্তৃপক্ষকে সমর্থন করেছেন। কয়েকজন আবার শুধু মারধরের অভিযোগে ব্যান করার পাশাপাশি থানায় অভিযোগ করার কথাও বলেছেন। এমনকি কেউ কেউ এও বলছেন, অভিযুক্তের নাম প্রকাশ করা হয়নি কেন।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us