West Bengal DA arrears case: ‘কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে’, বকেয়া DA মামলায় আজ কী হল সুপ্রিম কোর্টে?

SC DA hearing West Bengal: রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান,  যে কর্মচারীদের রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই টাকা দেওয়া হয়েছে। এর জন্য ছয় হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বাকিদের যখনই পরবর্তী গাইডলাইন আসবে, সেই মোতাবেক বকেয়া ডিএ টাকা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য সরকার।"

West Bengal DA arrears case: কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে, বকেয়া DA মামলায় আজ কী হল সুপ্রিম কোর্টে?
সুপ্রিম কোর্টImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Apr 15, 2026 | 1:53 PM

নয়া দিল্লি: বকেয়া ডিএ মেটানো নিয়ে হলফনামা জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেই রিপোর্ট নিয়ে আপত্তি থাকলে মামলার সঙ্গে যুক্ত পক্ষরা হলফনামা দিয়ে তাদের বক্তব্য জানাবেন। বুধবার এমনটাই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।  এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং পি কে মিশ্রার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। শুনানির শুরুতে রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল জানান, রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বাবদ ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার কমিটি যে সুপারিশ করেছেন, সেই মোতাবেক রাজ্য সরকার কাজ করছেন বলে সিব্বল এদিন জানান।

রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান,  যে কর্মচারীদের রেকর্ড রয়েছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই টাকা দেওয়া হয়েছে। এর জন্য ছয় হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে। বাকিদের যখনই পরবর্তী গাইডলাইন আসবে, সেই মোতাবেক বকেয়া ডিএ টাকা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের মান্যতা দিচ্ছে রাজ্য সরকার।”

আবেদনকারীদের তরফে অভিযোগ করা হয় প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে তাঁরা তাঁদের বক্তব্য জানাতে পারেনি। ইন্দু মালহোত্রার কমিটির রিপোর্ট তাঁদের জানানো হয়নি। এই কারণেই তাঁরা আদালত অবমাননার আবেদন জমা দিয়েছেন বলে জানান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি আদালতে বলেন, “কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে।”

প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির রিপোর্ট তারা হাতে পাচ্ছেন না। বিচারপতি সঞ্জয় করোল বলেন, ‘‘ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া তো শুরু হয়েছে!’’এর পরেই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্যের জমা দেওয়ার রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি।

মামলার প্রেক্ষাপট
সুপ্রিম কোর্টের পূর্ব নির্দেশ অনুযায়ী, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি অবশিষ্ট ৭৫ শতাংশের প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে দেওয়ার কথা ছিল। তবে সেই সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির আবেদন জানায় রাজ্য। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক স্তরে বিন্যাসের জন্য এই অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছিল যে, বকেয়া অর্থের ২৫ শতাংশ মেটানোর পর বাকি টাকা কত কিস্তিতে দেওয়া হবে, তা একটি বিশেষ কমিটি স্থির করবে। কিন্তু নির্ধারিত ৩১ মার্চের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় রাজ্য সরকার আর্জি জানায় আদালতে।

Follow Us