Neha Bora: উত্তরাখণ্ডের মেয়ে, আইসা নেত্রী নেহা বোরার সঙ্গে বাংলার যোগসূত্র কোথায়, জানেন?

Neha Bora Bengal Connection: সম্প্রতি কলকাতাতেও এসেছিলেন নেহা। বাংলায় কাটানো সময় তাঁর রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার উপর কীভাবে প্রভাব ফেলেছিল, তা তুলে ধরেছিলেন নিজের বক্তব্যে। উঠে এসেছিল চারু মজুমদার, পাবলো নেরুদা এবং অরুন্ধতী রায়ের লেখার কথা। নেহা বলেছিলেন, "বাংলার মাটিতে না এলে হয়তো আমি চারু মজুমদারের নাম জানতে পারতাম না, পাবলো নেরুদার কবিতা পড়তাম না, অরুন্ধতী রায়কে হয়তো জানতে পারতাম না।"

Neha Bora: উত্তরাখণ্ডের মেয়ে, আইসা নেত্রী নেহা বোরার সঙ্গে বাংলার যোগসূত্র কোথায়, জানেন?
নেহা বোরাImage Credit source: PTI

Oct 03, 2026 | 5:47 PM

নয়া দিল্লি: বয়স ২৯। চোখে -মুখে প্রত্যয়। সঙ্গে আগুনে ঝরা ভাষণ। দেশের ছাত্র-রাজনীতিতে লাইমলাইটে এই মুহূর্তে জ্বলজ্বল করছে নেহা বোরার নাম। বামপন্থী ছাত্র সংগঠন AISA-র জাতীয় সভানেত্রী তিনি। জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (JNU) গবেষক। তবে, গত কয়েক মাসে সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছেন নেহা (Neha Bora)। সম্প্রতি, জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। রাস্তায় শুয়ে প্রতিবাদ করতে দেখা গিয়েছ। রাস্তা থেকে তাঁকে টেনে তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। কিন্তু প্রতিবাদ-বিক্ষোভের ঝাঁঝ এতটুকু কমেনি। এর আগে নিট পরীক্ষা নিয়ে যন্তর-মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভে প্রথম থেকে ছিলেন। করেছিলেন অনশন। এরপর ঝাড়খণ্ডে ছাত্রবিক্ষোভের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়া, সেখানে তাঁর গায়ে কালি ছোড়ার ঘটনা তাঁকে লাইমলাইটে এনে দিয়েছে। তবে, জানেন কি এই নেহা বোহরার সঙ্গে বাংলার একটা বিশেষ কানেকশন বা যোগ রয়েছে।

নেহা বোরার সঙ্গে বাংলার যোগ কীভাবে? 

উত্তরাখণ্ডের খাটিমার বাসিন্দা নেহা। বর্তমানে দিল্লিতে জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছেন। তবে, একটা সময় বাংলায় বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে নেহা জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। বাবার কর্মসূত্রে দেশের বিভিন্ন জায়গায় থেকেছেন। সেই সূত্রে বেশ কয়েক বছর উত্তরবঙ্গে ছিলেন নেহা। জানা গিয়েছে, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পড়াশোনা শিলিগুড়িতে থেকেই করেছেন।

কলকাতায় এসে কী বলেছিলেন নেহা?

সম্প্রতি কলকাতাতেও এসেছিলেন নেহা। বাংলায় কাটানো সময় তাঁর রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার উপর কীভাবে প্রভাব ফেলেছিল, তা তুলে ধরেছিলেন নিজের বক্তব্যে। উঠে এসেছিল চারু মজুমদার, পাবলো নেরুদা এবং অরুন্ধতী রায়ের লেখার কথা। নেহা বলেছিলেন, “বাংলার মাটিতে না এলে হয়তো আমি চারু মজুমদারের নাম জানতে পারতাম না, পাবলো নেরুদার কবিতা পড়তাম না, অরুন্ধতী রায়কে হয়তো জানতে পারতাম না। এই মাটিই আমাকে প্রথম দক্ষিণপন্থার থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শিখিয়েছিল।” নকশালবাড়ির মতো আন্দোলনর কথাও তুলে ধরেছিলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক নেহা। থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় তিনি। শুধু নিট বা এসআইআর বা জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ইস্যুতে তাঁর প্রতিবাদ নয়। এর আগে দলিত, আদিবাসী, অনগ্রসর শ্রেণি ও সংখ্যালঘু পড়ুয়াদের অধিকার নিয়েও বিভিন্ন সময়ে সরব হয়েছেন তিনি।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us