
নয়া দিল্লি: তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) ভেঙে এনসিপিআই(NCPI)-তে মিশে গিয়েছে সুদীপ-কাকলিরা। ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এখন আর তৃণমূল নন। তবে এনসিপিআই সাংসদ হওয়ার এক মাসের মধ্যেই আবার কি দল বদল করবেন তারা? এনসিপিআই সাংসদরা কি এবার বিজেপি(BJP)-তে মিশে যাবেন? সূত্রের খবর, বিদ্রোহী ২০ জন সাংসদদের বিজেপিতে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, এনডিএ-তে এনসিপিআই সাংসদদের সামিল হওয়া নিয়ে বেশ কিছু আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। সুদীপদের সাংসদ পদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আইনি বিতর্ক এড়াতে এখন বিকল্প চিন্তাভাবনা। সুদীপ-কাকলিদের সরাসরি বিজেপিতেই সামিল করে নেওয়ার পরিকল্পনা। ২০ জন সাংসদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে।
বৃহস্পতিবার দিল্লিতে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শুক্রবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক হতে পারে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদলীয় বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন এনসিপিআই সাংসদরা। এই নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। কালীঘাট তৃণমূল সহ বিরোধী দলগুলি প্রতীকী ওয়াকআউট করে বৈঠক করে। তাদের প্রশ্ন ছিল, এনসিপিআই-কে এখনও কোনও স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। তাহলে তাদের কেন সর্বদলীয় বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হল?
এই বিতর্ক এড়াতেই কি এবার বিজেপিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে সুদীপ-কাকলি সহ এনসিপিআই-র ২০ জন সাংসদকে? এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “ওদের দলের যিনি নেতা আছেন, তিনি বলতে পারবেন। আমি কী করে বলব? আমি বিজেপির কথা বলতে পারি। আমি এনডিএ-র নেতা নই। আমি জানি, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একা লড়ে নির্বাচনে জয়ী হয়েছে। কোনও শরীকের প্রয়োজন হয়নি। আমাদের এই জয়টা এনডিএ-র জয় বলেছি। লড়াইটা বিজেপি একা লড়েছে।”