শ্মশানের চুল্লিতে উঠে বসলেন ‘মৃত’ মহিলা! দেখে অবাক সকলে
চিতা থেকে মৃত মহিলার বসে ওঠার ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার বারহামপুরে। ১ ফেব্রুয়ারি গায়ে আগুন লেগেছিল ওই মহিলার। তার পর এমকেসিজি মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও অসুস্থতা পুরোপুরি কাটেনি তাঁর। আবার উন্নত চিকিৎসা করার খরচ করার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। তাই বাড়িতেই রেখেছিলেন তাঁরা।

ভুবনেশ্বরে: ৫২ বছর বয়সী এক মহিলার গায়ে আগুন লেগেছিল। এর জেরে তাঁর শরীরের প্রায় ৫০ শতাংশ পুড়ে যায়। চিকিৎসার জন্য দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও পুরোপুরি সুস্থ হননি তিনি। সোমবার সকালে ওই মহিলার বাড়ির লোক দেখেন, তাঁর চোখ বন্ধ। শ্বাসও নিচ্ছেন না তিনি। পরিবারের লোকেরা ভেবেছিলেন ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। শববহনকারী গাড়ি করে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শ্মশানে। সেখানে গিয়ে সমস্ত রীতি মেনে করা হয়েছিল সৎকারের ব্যবস্থা। কাঠের চুল্লিতে চাপানো হয়েছিল দেহ। কিন্তু এর পরই তাকিয়ে ওঠেন ওই মহিলা। উঠে বসেন চিতা থেকে। তা দেখে সবাই তো অবাক।
চিতা থেকে মৃত মহিলার বসে ওঠার ঘটনা ঘটেছে ওড়িশার বারহামপুরে। ১ ফেব্রুয়ারি গায়ে আগুন লেগেছিল ওই মহিলার। তার পর এমকেসিজি মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও অসুস্থতা পুরোপুরি কাটেনি তাঁর। আবার উন্নত চিকিৎসা করার খরচ করার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। তাই বাড়িতেই রেখেছিলেন তাঁরা।
সোমবার সাড়া শব্দ বন্ধ হওয়ার পর সবাই ভেবেছিলেন তিন মারা গিয়েছেন। কিন্তু শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার পর সৎকারের আগেই জেগে ওঠেন মহিলা। প্রথমটায় সবাই হতচকিত হয়ে যান। সম্বিত ফিরতেই বুঝতে পারেন, বেঁচে আছেন মহিলা। যে গাড়িতে করে তাঁকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই গাড়িতেই ফিরিয়ে আনা হয় বাড়িতে।
