
কলকাতা: SRFTI-তে লাগাতার বিক্ষোভ। পেশ হল তদন্ত কমিটির রিপোর্ট। আঠারো পাতার রিপোর্ট দিল অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতিকৃতি নষ্ট, উপাচার্যের অফিস দু’দিন ধরে দখল করে রাখার অভিযোগ। এমনকী অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করে দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখারও অভিযোগ।
SRFTI-এ দীর্ঘদিন ধরে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ চলছে। উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন পড়ুয়ারা। একাধিক দাবি রয়েছে তাঁদের। কর্তৃপক্ষ বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ করেছে। পাঠানো হয়েছে শোকজ নোটিস। কয়েকজনকে হস্টেল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পড়ুয়াদের পাল্টা দাবি, বিদ্যুত-জল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এই অচলাবস্থার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে সেটা অনভিপ্রেত। উপাচার্যের অফিস ঘেরাও থেকে দুর্ব্যবহার, কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে পড়ুয়াদেরই। ১৮ পাতার রিপোর্টে প্রশ্ন তোলা হয়েছে পড়ুয়াদের আন্দোলন ও তাঁদের ব্যবহার সম্বন্ধে। সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্যের প্রশ্ন, “প্রধানমন্ত্রী কি ভগবান? ওঁর কোনও বিষয়ে মানুষ ক্ষোভ দেখাতে পারবেন না। একটা সিনেমার ইন্সস্টিটিউট তার সঙ্গে দূর-দূর থেকে আরএসএস-এর কোনও সম্পর্ক নেই এমন সংগঠনকে কেন অনুমতি দেওয়া হয়েছিল সেদিন? বিজেপির গুণ্ডারা গুণ্ডামি করেছে। ওরা এখন ছাত্রদের পিছনে লেগেছে।” এবিভিপি দক্ষিণবঙ্গ সম্পাদক নীলকণ্ঠ ভট্টাচার্য বলেন, “ওইখানকার দিমাগি নকশালরা বিবেকানন্দের প্রতিকৃতি নষ্ঠ করেছেন। লাথি মেরেছে, থুতু মেরেছে। এরা এগুলোই করবে। তবে জেন জি-রা আরএসএস-এর সঙ্গেই আছে।”