
কলকাতা: মামলা করেও স্বস্তি মেলেনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ১৪ দিনের রক্ষাকবচ দেওয়া হলেও বেঁধে দেওয়া হয়েছে ডেডলাইন। আজ, বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে ফিরেই হাজিরা দিতে চলেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৪টেয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতায় অবতরণ করে তাঁর বিমান। তারপরই তিনি যান কালীঘাটে নিজের বাড়িতে। এরপর যাচ্ছেন সিআইডি দফতরে।
মূলত ‘সই-কাণ্ডে’ একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়েছে অভিষেককে। তাঁর বাড়িতে গিয়ে নোটিস দিয়ে আসে সিআইডি। কিন্তু, কোথাও হাজিরা দেননি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। মূল অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের জন্য দেওয়া রেজোলিউশনের কপিতে বেশ কয়েকজন বিধায়কের অনুপস্থিতিতেই তাঁদের সই করা হয়েছে। এমন কয়েকজন বিধায়কের বাড়িতে গিয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই বিষয়েই এদিন প্রশ্ন করা হবে অভিষেককে।
১. তৃণমূলের কোন পদে রয়েছেন আপনি?
২. কী কী দায়িত্ব সামলাতে হয় আপনাকে?
৩. বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে আপনার ভূমিকা কী ছিল?
৪. কোন কোন বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করা হয়েছে?
৫. বিরোধী দলনেতা ঠিক করার আগে কতবার বৈঠক হয়?
৬. বৈঠক শেষে নেওয়া রেজোলিউশনের কপি কোথায়?
৭. রেজোলিউশনের কপি দলের পার্টি অফিসে নেই কেন?
৮. আপনি কী বলেছিবেন সেই বৈঠকে?
৯. বৈঠকে চেয়ারপার্সনের বক্তব্য কী ছিল?
১০. বিরোধী দলনেতা নির্বাচনে কি কোনও সমস্যা হয়েছিল?
১১. রেজোলিউশনের কপিতে ব্যাক ডেট দিয়ে সই করা কেন?
১২. কোন কোন বিধায়ক ছিলেন ৬ মে ও ১৯ মে-র বৈঠকে?
১৩. অনুপস্থিত বিধায়কদের সই নিয়ে কী জানতেন?
১৪. কয়েকজন বিধায়কের সই মিলছে না, সে ব্যাপারে কী জানেন?
১৫. বিধানসভার চিঠিতে সবার মত নিয়ে সই করেছিলেন?