
কলকাতা: বেআইনিভাবে প্রায় ৩০ লক্ষ সুবিধাভোগী রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে। অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) ফর্ম প্রকাশ করতে গিয়ে এই তথ্য জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। খতিয়ে দেখে সেই সব নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তবে, সিএএ আওতাধীন ও ট্রাইবুনালে আবেদনকারীরা ব্যতিক্রম বলে জানিয়েছেন তিনি।
তাড়াহুড়ো করে ফর্ম ফিল আপ করার প্রয়োজন নেই। সময় নিয়ে ফর্ম ফিল আপ করার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। অনলাইনে ও অফলাইনে ফর্ম ফিল আপ হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া বাড়ি বাড়ি গিয়েও ফর্ম পূরণের একটা প্রক্রিয়া চলবে বলে জানানো হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্কিমে অনেক ‘বেনোজল’ ঢুকে আছে। এমনকী অনেক পুরুষও ওই যোজনার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ শুভেন্দুর। সেই সব গ্রাহকদের বাদ দেওয়ার কাজ করছে প্রশাসন। শুভেন্দু বলেন, “একদিনেই সবাই ফর্ম ফিল আপ করতে পারবেন না। যতক্ষণ ফর্ম ফিল আপ না করবেন, ততক্ষণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা পাবেন। এনরোলমেন্ট করা হয়ে গেলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়ে যাবে। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা দেওয়ার শুরু হবে।”
যাঁরা অতিরিক্ত ইনকাম ট্যাক্সের আওতার মধ্যে পড়েছেন, তাঁরা বাদ যাবেন। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, কোনওভাবেই প্রকৃত প্রাপক ছাড়া যাতে সুবিধা না পায়, সেটা নিশ্চিত করতে চাই।”
বুধবার নবান্নের সাংবাদিক বৈঠক থেকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ৩ জুন মন্ত্রিসভার বৈঠক আছে, তারপরই দেওয়া হবে টাকা। তবে ১ জুন থেকেই আদতে পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ৩ জুনের মধ্যেও ফর্ম পূরণ মা হলে, যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢোকে, সেটা ঢুকবে।
বুধবার সন্ধ্যায় অনলাইনে ফর্ম দিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া অফলাইনেও ফর্ম পূরণ করা ।যাবে। পরে ৩০ দিন ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম ফিল আপ করানোর একটা প্রক্রিয়া চলবে বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি আরও বলেন,”আমাদের যে জনকল্যাণ শিবির হচ্ছে ১৫, ১৬ ও ১৭ জুন তারিখে, সেখানেও ফর্ম ফিল আপ করার বা সহযোগিতা করার জায়গা থাকবে। কেউ যদি এই ফর্মের কোনও একটি ক্লজ বা কোনও একটি বিষয়ে কনফিউশনে থাকেন, সেটাও ঠিক করতে পারবেন।”