Annapurna Bhandar Scheme: যত তাড়াতাড়ি ফর্ম ফিল-আপ, তত তাড়াতাড়ি ঢুকবে ৩০০০ টাকা! অন্নপূর্ণা নতুন ফর্ম কোথায় পাবেন? বড় ঘোষণা নবান্নের
Annapurna Bhandar Scheme: সোমবার মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক মহিলারাই পাবেন। ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে এই প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ, যাঁরা যত দ্রুত ফর্ম পূরণ ও জমা করবেন, তাঁরা তত তাড়াতাড়ি এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবেন এবং প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।

কলকাতা: আজ, বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’ প্রকল্পের ফর্ম বিলি। নবান্ন থেকে এই মেগা প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নারী, শিশু ও মহিলা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। আবেদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও গতি আনতে সরকার অনলাইন এবং অফলাইন—উভয় মাধ্যমই খোলা রেখেছে। গ্রাহকরা নিজেদের সুবিধামতো যে কোনো পদ্ধতিতে ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। অর্থাৎ অনলাইন-অফলাইনে ফর্ম ফিল-আপ করতে পারবেন গ্রাহকরা।
সোমবার মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই প্রকল্পের সুবিধা শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক মহিলারাই পাবেন। ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে এই প্রকল্পের সুবিধা বণ্টন করা হবে। অর্থাৎ, যাঁরা যত দ্রুত ফর্ম পূরণ ও জমা করবেন, তাঁরা তত তাড়াতাড়ি এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবেন এবং প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
তবে যে সমস্ত মহিলারা এখনও অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদন করতে পারেননি বা যাঁদের টাকা পাওয়া এখনও শুরু হয়নি, তাঁদের চিন্তার কোনও কারণ নেই। মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, যতদিন না তাঁরা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন, ততদিন পূর্ববর্তী ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের নিয়মে প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে পেতে থাকবেন। কোনও উপভোক্তাই আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।
মুখ্য়মন্ত্রী বলেন, “এনরোলমেন্ট যত তাড়াতাড়ি করবেন, তত দ্রুত বেনিফিট আমরা দিতে পারব। অন্নপূর্ণা যোজনার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে কাল থেকে। যেমন যেমন ফর্ম ফিলাপ হবে, তেমন তেমন ৩ হাজার টাকা ট্রান্সফারও শুরু হয়ে যাবে। ৩ হাজার টাকা না ট্রান্সফার হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকতে থাকবে।”
বিএলও-দের ওপর বাড়তি দায়িত্ব
এবার থেকে শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা ভান্ডারের ভেরিফিকেশন বা যাচাইকরণই নয়, সরকারের সমস্ত জনকল্যাণমূলক প্রজেক্টের মাঠপর্যায়ের কাজ করতে হবে বিএলও (BLO) বা বুথ স্তরের আধিকারিকদের। এই কাজের দায়িত্বে থাকছেন মূলত বিদ্যালয়গুলির শিক্ষক ও শিক্ষিকরা। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি ও দ্রুত সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌঁছাবে বলে আশা করছে নবান্ন।
