
কলকাতা: কামদুনি থেকে সুটিয়া, বদলের বাংলায় আবার উঠছে সুবিচারের দাবি। বরুণ বিশ্বাস হত্যার ফাইল পুনরায় খোলার আর্জি। মুখ্যমন্ত্রী ও বনগাঁর পুলিশ সুপারকে চিঠি বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের। কামদুনির মতো বরুণ বিশ্বাস হত্যাতেও নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের। এবার তিনি পদ থেকে সরে দাঁড়াতেই বিচার চেয়ে আওয়াজ তুলছে বরুণ বিশ্বাসের পরিবার। ভাইয়ের হত্যার ষড়যন্ত্রে জ্যোকিপ্রিয় মল্লিক সরাসরি যুক্ত বলে দাবি বরুণ বিশ্বাসের দাদার। তাঁর দাবি, খাদ্য দফতরে বসেই সব পরিকল্পনা করেছিলেন বালু। অন্যদিকে মুখ খুলেছেন কামদুনির নির্যাতিতার ভাইও। তাঁর দাবি কামদুনি ফাইল খুললে ফাঁসার ভয় পাচ্ছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের।
কামদুনি কাণ্ডের মতো বরুণের হত্যা মামলাতেও বিচার প্রক্রিয়ায় দেরি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস বলছেন, “তদন্ত ঠিক করে হয়নি। আমার ভাইয়ের কেসে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সরাসরি যুক্ত রয়েছেন। খুনের পরিকল্পনা করেছিলেন খাদ্য দফতরে বসে। ওনার তৎকালীন যে সহায়ক ছিল জ্ঞানেশ নারায়ন গুহ তার সঙ্গে একসঙ্গে বসে পরিকল্পনা করেছিলেন। এই জ্ঞানেশের বাড়ি ঠাকুরনগরে। মার্ডারের এক মিনিটের মধ্যে বরুণকে যে গুলি করেছিল সেই এনামুলকে ফোন করেছিলেন।”
এখানেই না থেমে সেই দিনের ঘটনার বিবরণ দিতে দিয়ে অসিত বিশ্বাস তৃণমূলের বিরুদ্ধেও দফায় দফায় সুর চড়ান। বলেন, “বরুণকে যেখানে শ্যুট করা হয়েছিল সেখান থেকে ১০ মিটার দূরে গোবরডাঙার যত তৃণমূলের গুন্ডারা জোড়ো হয়েছিল। বরুণ যখন পড়ে যায় তখন ওকে ঘিরে রেখে দেয় যাতে কেউ হাসপাতালে না নিয়ে যেতে পারে। আমরা সেই সময় তো দমবন্ধ করা পরিস্থিতিতে ছিলাম। এখন পরিবর্তন হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি সঠিকভাবে তদন্ত করার আবেদন করে এসেছি।”