
কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে সাংগঠনিক ভিত আরও সুদৃঢ় করতে বিশেষ নজর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। সেক্ষেত্রে প্রত্যেক জেলার সভাপতি নির্বাচনের ওপর বিশেষভাবে নজর দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে যে মনোনয়নের প্রক্রিয়া চলছে, তাতে দলের ডিস্ট্রিক্ট রিটার্নিং অফিসার, অর্থাৎ যে জেলায় যে নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাঁদের সঙ্গে সল্টলেকের দলীয় দফতরে বৈঠকে বসেছেন পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। রয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, অন্যান্য পর্যবেক্ষকরাও।
প্রত্যেকটি জেলার সাংগঠনিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন তাঁরা। সংগঠনের ভিত্তিতে গোটা রাজ্যে বিজেপির ৪৩টা জেলা রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২৩ টা জেলার সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে বৈঠকে বসেছেন নেতৃত্ব। প্রত্যেকটা জেলার সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ মিনিট করে কথা বলছেন।
বিভিন্ন নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলছেন মূলত জেলার সভাপতি, জেনারেল সেক্রেটারি। পাশাপাশি নির্বাচিত সাংসদ বিধায়করা, বা যাঁরা বিধানসভা লোকসভা নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন, তাঁরাও রয়েছেন। তাঁদের মতামত নেওয়া হয়েছে।
সূত্রের খবর, কোন কোন জেলার থেকে এখনও পর্যন্ত সভাপতি হিসাবে ১০-১২ টা নামও জমা পড়েছে। যে কটি করে নাম জমা পড়ছে, প্রত্যেকটা নাম নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। কার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, স্বপক্ষে বা বিপক্ষে কী আছে? শনিবার ২৩ টা সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে পৃথকভাবে বসেছেন বনসালরা। বাকি সাংগঠনিক জেলাগুলোকে নিয়ে পরেরদিন বৈঠক হবে।