
কলকাতা: মাঝের দেড় মাসের ব্যবধান। বার কাউন্সিলের সমীকরণটা গেল বদলে।
বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হলেন সমীর পাল। ১৮-৮ ভোটে জিতেছেন তিনি। সহ সভাপতি হিসাবে ১৭-৯ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন অজয় চৌবে। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াতে প্রতিনিধি হিসাবে পাঠানো হচ্ছে অরুণ সরকারকে। তিনিও ১৭-৯ ভোটে নির্বাচিত। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বার কাউন্সিলের অফিস বেয়ারার নির্বাচনে জয়ী হলেন তিন বিজেপি প্রার্থী। সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট বার কাউন্সিলের অফিস পদাধিকারীদের নির্বাচন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই হয়েছিল, যার ফল বেরিয়েছিল বিধানসভা ভোটের পর। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “তখন বলা হয়েছিল তৃণমূল নাকি এই নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অশোক দেবকে সামনে রেখে এই নির্বাচনে গিয়েছিলেন। তৃণমূলের তো এখন নাম নিশান, পতাকা নেই।”কিন
বিজেপি সমর্থক আইনজীবীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গোটা বাংলার কয়েক হাজার আইনজীবী, তাঁরা যেভাবে রাজ্য সরকার ওমুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রেখেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।” তিনি আশ্বস্ত করেন, “গোটা রাজ্য জুড়ে আইনজীবীদের যে পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে, সেখানে নব নির্বাচিত বার কাউন্সিলকে নিয়ে বসা হবে। আমরা অনেক পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ল-জুডিশিয়াল দফতর আমার হাতে।”
আর তারপরই তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে যাঁরা নতুন যুক্ত হয়েছে, আস্থা প্রকাশ করলেন, তাঁদের ধন্যবাদ। আর যাঁরা বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নির্বাচনের ফলকে নিয়ে উৎসাহে পোস্ট করেছিলেন, তাঁদেরকে বলব আজকে রাতটা শোকরাত হিসাবে যাপন করতে।” কিন্তু কেন এমনটা বললেন?
আসলে পালাবদলের সাড়ে ৩ মাস পর পশ্চিমবঙ্গ বার কাউন্সিলের নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়। সেই নির্বাচনী তৃণমূলের জয়জয়াকার হয়। রাজ্যে পরিবর্তনের আগেই ভোটগ্রহণ হয়েছিল। কিন্তু ফল বেরিয়েছিল অগস্টের ১৯ তারিখ। ততক্ষণে বাংলায় সরকার বদলেছে। আসলে মোট ২৩টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসনে জেতে তৃণমূল। বিজেপি পেয়েছিল ৩টি আসন। তখন পোস্ট করেছিলেন তৃণমূল সমর্থক আইনজীবীরা। তা নিয়েই এদিন কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী।