
কলকাতা : স্ট্রং রুমে (Strong Room Controversy) কার পাহারা বেশি ‘স্ট্রং’? গণনার আগে যেন সেরকমই একটা ট্রেন্ড দেখা যাচ্ছে রাজ্য-রাজনীতিতে। প্রথম স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মুখেই শোনা গিয়েছিল। বৃষ্টি মাথায় করে শাখাওয়াতে পৌঁছে গিয়েছিলেন। ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তুলে স্ট্রং রুম পাহারা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন দলের নেতা-কর্মীদের। তারপর থেকেই দেখা যাচ্ছে শুধু তৃণমূল নয়, সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী থেকে এজেন্ট স্ট্রং রুমে ছুটে যাচ্ছেন। নিজের নিজের স্ট্রংরুম পাহারা দিচ্ছেন। এবার স্ট্রংরুম পাহারায় নয়া কৌশল নিল বিজেপিও।
বিশেষ দায়িত্ব মহিলাদের
বিজেপি স্ট্রং রুম পাহারার দায়িত্ব দিয়েছে তাদের মহিলা নেতৃত্বকে। রাজ্য বিজেপি সূত্রে খবর, আগামিকাল রাজ্যের বিভিন্ন স্ট্রং রুমের সামনে অবস্থান করবে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই ধরনায় নেতৃত্ব দেবেন বিজেপির মহিলা নেতা-কর্মীরা। সেরকমই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির তরফে। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে আরও খবর পাওয়া গিয়েছে, আগামিকাল একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাদের।
জানা গিয়েছে, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে বিজেপির প্রার্থীরা বিভিন্ন মন্দিরে যাবেন। প্রার্থনা করবেন। যে যেখান থেকে প্রার্থী হয়েছেন, সেই এলাকার মন্দিরগুলোয় যাবেন পদ্ম শিবিরের প্রার্থীরা।
এদিকে, গণনাকেন্দ্রে এজেন্টদের করণীয় কী হবে, কোন কোন বিষয়ে নজর রাখতে হবে, সেই নিয়ে গতকাল থেকেই প্রশিক্ষণ চলছে। আজও বিভিন্ন জেলায় বৈঠক হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে বর্ধমান, পুরুলিয়া, মেদিনীপুর ও হুগলি। শুক্রবার উত্তরবঙ্গে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে শিলিগুড়ি, মালদহ. নবদ্বীপ, কলকাতা, দুই ২৪ পরগণা।
শুরুটা হয়েছিল ক্ষুদিরাম অনুশীলন থেকে। স্ট্রং রুমে কুণাল ও শশী পৌঁছতেই উত্তেজনা ছড়ায়। উপস্থিত ছিলে বিজেপি প্রার্থী তাপস রায়ও। দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল বচসা হয়। এরই মধ্য়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পৌঁছে যান শাখাওয়াতে। চার ঘণ্টা ধরে পাহারা দেন। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা তোলেন। নাম না করে বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
তারপর থেকে জেলায় জেলায় স্ট্রংরুম নিয়ে উত্তেজনা বেড়েছে। অভিযোগ উঠছে কোথাও সিসিটিভির ডিসপ্লে মনিটর বন্ধ করে দেওয়া বচ্ছে, কোথাও আবার সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তারই মধ্য়ে স্ট্রং রুম পাহারায় নয়া উদ্যোগ নিল বিজেপি।