HC on Polling Officers: অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ কেন? ব্যাখ্যা দিতে পারেনি কমিশন, বিজ্ঞপ্তি খারিজ হাইকোর্টের

West Bengal assembly election 2026: কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বক্তব্য, কী কারণে কলেজের অধ্যাপকদের বুথে পাঠানো হচ্ছে সেই ব্যাপারে বারবার কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই অবস্থায় কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করা হল।

HC on Polling Officers: অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ কেন? ব্যাখ্যা দিতে পারেনি কমিশন, বিজ্ঞপ্তি খারিজ হাইকোর্টের
কলকাতা হাইকোর্টImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Apr 17, 2026 | 2:09 PM

কলকাতা: হাইকোর্টে ধাক্কা নির্বাচন কমিশনের। কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। কী কারণে অধ্যাপকদের ভোটের কাজে নিয়োগ করা হয়েছে? হাইকোর্টের প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। তারপরই কমিশনের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। তবে, যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের ভোটের কাজে কোনও বাধা দেওয়া হয়নি।

গতকাল হাইকোর্ট কী বলেছিল? 

অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বেঞ্চে। বৃহস্পতিবারই মামলার শুনানি কমিশনকে ভর্ৎসনা করেছিলেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “আপনাদের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী অপনারা তো বিচারকদেরও নিয়োগের ব্যবস্থা রেখেছেন। কোনও অসুবিধা নেই, আমাদের নিয়োগ করুন। আমরা পোলিং অফিসার হিসেবে বুথে ডিউটি করতে যাব।” পাল্টা কমিশনের যুক্তি ছিল, ভোটের মুখে মামলা করার জন্য এখন নতুন করে লোক নিয়োগ করে ট্রেনিং দিয়ে ভোট করানো সম্ভব নয়। কিন্তু, হাইকোর্টের বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন এটা কোনও যুক্তি হতে পারে না। একইসঙ্গে কমিশনের কাছ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিজ্ঞপ্তির ব্যাখা চেয়ে পাঠান বিচারপতি। শুক্রবার সেই সংক্রান্তই মামলা ছিল।

আজ কী নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের? 

জানা গিয়েছে, শুক্রবারের শুনানিতে তাদের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দিতে পারেনি কমিশন। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের বক্তব্য, কী কারণে কলেজের অধ্যাপকদের বুথে পাঠানো হচ্ছে সেই ব্যাপারে বারবার কমিশনের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এই অবস্থায় কলেজের অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করা হল।

যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের কী হবে?

ইতিমধ্যে যাঁরা প্রশিক্ষণে চলে গেছেন বা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই রায় কার্যকর হবে না। যাঁরা মামলা করেছেন, সেই অধ্যাপকদের ভোটের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু যাঁরা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাঁদের এই মামলায় যুক্ত করা হয়নি। কারণ কমিশন গতকালই জানিয়েছিল, অনেকের প্রশিক্ষণ হয়ে গিয়েছে। ভোটের আগে আবার নতুন করে কাউকে নিয়োগ করে প্রশিক্ষণ সম্ভব নয়। নির্বাচন সময়ে হবে কি না, তা নিয়েও সংশয় উস্কে দিয়েছিল কমিশন। সেক্ষেত্রে যাঁদের আপত্তি নেই, তাঁরা ভোটের কাজ করতে পারেন।

উল্লেখ্য, আগে কোনও ভোটে অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়নি। আসলে প্রিসাইডিং অফিসারকে বিডিও-র অধীনে কাজ করতে হয়। আর কলেজের অধ্যাপকের পদমর্যাদা বিডিওর থেকে বেশি হয়। তাই নিয়ম অনুযায়ী, অধ্যাপকদের প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয় না।

Follow Us