
কলকাতা: বাম আমলের পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন নন্দীগ্রামের (Nandigram) কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন জেলবন্দী কংগ্রেস প্রার্থী। তাঁর বিরুদ্ধে আগেই পুরনো মামলা ছিল, নতুন করে ফের পাঁচটি মামলায় নাম জড়ায় তাঁর। পরবর্তীতে নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলাই তুলে নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ দিন হাইকোর্টের জানালেন রাজ্যের আইনজীবী।
আজ কোর্টে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের মন্তব্য, নন্দীগ্রাম থানা ছাড়া পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। ফলে ওই মামলাগুলির উপর রক্ষাকবচের কোনও প্রয়োজন এই মুহূর্তে নেই। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলার শুনানি।
মিলন প্রধানের আইনজীবীর অয়ন ভট্টাচার্যের অভিযোগ, তাঁর মামলাকারীর বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও পাঁচটি মামলা আছে। সেগুলিতে রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। সওয়াল-জবাব চালাকালীন আইনজীবী বলেন, “উনিশ বছর পর মামলা। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন। তাই রক্ষাকবচ দেওয়া হোক।” তবে কোর্ট এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেনি।
মমতা তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় বলেন, “কোর্টের নির্দেশের উপর আমার বলার কিছু নেই। তবে ওদের বিরুদ্ধে যেই বিরোধিতা করবে তাঁকেই মামলা দিয়ে হেনস্থা করা হবে। যে ব্যক্তি, যে দল যে প্রার্থী বিজেপির বিরোধিতা করবে ওরা তাঁকেই হেনস্থা করার চেষ্টা চলছে। এটা গণতন্ত্রে চলে না। স্বৈরাচারী শাসকের নমুনা।”
এখানে উল্লেখ্য, শুক্রবার নন্দীগ্রামে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয় মমতা-তৃণমূল প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। তারপরই সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেস প্রার্থীকে নন্দীগ্রামে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন সন্ধেবেলাতেই গ্রেফতার করা হয় নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে।