RG Kar Case: ‘সঞ্জয় অনেক কিছু জানে…’, আরজি কর মামলায় বড় নির্দেশ বিচারপতি মান্থার

Calcutta High Court: বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। খড়্গপুর আইআই-তে ছাত্র-মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, "ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেনসিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।"

RG Kar Case: সঞ্জয় অনেক কিছু জানে..., আরজি কর মামলায় বড় নির্দেশ বিচারপতি মান্থার
হাইকোর্টে আরজি কর মামলাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Apr 09, 2026 | 5:46 PM

কলকাতা: ২০২৪-এর আরজি কর ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়কে নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল আদালতে। ইতিমধ্যেই চিকিৎসক তরুণীকে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছেন সঞ্জয়। এবার সিবিআই-কে নির্দেশ দেওয়া হল, প্রয়োজনে ওই ব্যক্তিকে আবারও প্রশ্ন করা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা চলছিল। সেই মামলাই হাইকোর্টে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার ওই মামলার শুনানিতে বড় পর্যবেক্ষণ আদলতের।

“আরজিকর মামলায় যদি দরকার হয় সিবিআই নতুন করে সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় রায় ও অন্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। সিবিআই যেন কোনও দ্বিধা না করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়।” এমনটাই বললেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। প্রয়োজনে যে কোনও ব্যক্তিকে জেরা করা যাবে বলেও নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের।

বৃহস্পতিবার আরজি কর মামলায় আদালতের মন্তব্য, ‘সাজাপ্রাপ্ত সঞ্জয় অনেক কিছুই জানে বলে মনে হয়।’ ফলে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, যত আধুনিক পদ্ধতি, প্রযুক্তি আছে তার সবকিছু ব্যবহার করুক সিবিআই। একইসঙ্গে বিচারপতির প্রশ্ন, মৃতের পরিবার যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে চেয়েছে, তাতে রাজ্য়ের আপত্তি কেন?

বিচারপতি মান্থা বলেন, “মৃতের পরিবার নতুন করে ঘটনাস্থল ভিজিট করতে চেয়েছে। তাতে সিবিআইয়ের কোনও আপত্তি নেই। তাহলে রাজ্যের আপত্তি কীসের? মামলায় তারা পার্টিও নয়। যদি নতুন করে পরিবার হলফনামা দেয়, আর সিবিআই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়, তাতে রাজ্য আপত্তি করবে কেন?

এদিন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও বিচারপতি রাই চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। খড়্গপুর আইআই-তে ছাত্র-মৃত্যুর কথা উল্লেখ করে বিচারপতি বলেন, “ছাত্রের রহস্য মৃত্যুতে পরে ফরেনসিক ডাক্তার প্রমাণ দেন খুনের। এই ক্ষেত্রেও ফরেনসিকের ভালো ভাবে খতিয়ে দেখার জায়গা আছে।” পরিবারের তরফে ডিএনএ প্রোফাইল ও অডিয়ো রেকর্ড আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ, সিবিআই এগুলি নিয়ে তদন্ত করে তাদের রিপোর্ট দেবে। আগামী ১২ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

আদালতের নির্দেশে খুশি তিলোত্তমার বাবা। এবার সিবিআই কাজ করতে বাধ্য হবেন বলে মনে করছেন তিনি। কারণ রাজাশেখর মান্থা বুঝিয়ে দিয়েছেন এই ঘটনার তদন্ত সম্পর্কে উনি ওয়াকিবহাল।

Follow Us