
কলকাতা: ব্যাঙ্কশাল কোর্ট ও চন্দননগর আদালতে আইনজীবীদের কর্মবিরতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। কর্মবিরতি দ্রুত মেটাতে বার কাউন্সিলের সদস্যকে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নিতে নির্দেশ দিল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে ও বিচারপতি ওম নারায়ণ রাইয়ের ডিভিশন বেঞ্চ।
প্রধান বিচারপতি বলেন, “আদালতে কর্মবিরতি কেন চলবে? এতে তো সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।” বারুইপুর আদালতে আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে জনস্বার্থ মামলা গ্রহণ করেছে হাই কোর্ট। মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুনানিতে আইনজীবী শুভঙ্কর নাগ অভিযোগ করেন, শালবনীতে আইনজীবী শামিম আহমেদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জানান, শামিম আহমেদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি তাঁর নজরে রয়েছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত আদালতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যাঙ্কশাল ও চন্দননগর আদালতের কর্মবিরতি নিয়ে বার কাউন্সিলের সদস্যকে সোমবার রিপোর্ট দিতে হবে। নভেম্বর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।
দিনকয়েক আগে আক্রান্ত হন আইনজীবী শামিম আহমেদ। ঘর ছাড়াদের ফেরাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের বেনাচাপড়া থেকে ফেরার পথে আইনজীবীদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আহত হন তিনজন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে সমাজমাধ্যমে কুরুচিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ধৃত এক ইউটিউবারকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলার সময় অভিযুক্তকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ে একদল বিক্ষোভকারী। আদালত চত্বরে উপস্থিত আইনজীবীরা তার প্রতিবাদ করলে তাঁদের উপর আক্রমণ হয় বলে অভিযোগ। যার প্রতিবাদে কর্মবিরতি করছিলেন আইনজীবীরা।