টাকা নয়ছয়ে অফিসারদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, রিপোর্ট চায় হাইকোর্ট
Calcutta High Court: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালযের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের যোগসাজশেই কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ।

কলকাতা: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভেঙে কোটি কোটি টাকা তছরুপ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার তদন্তের কেস ডায়েরি তলব করল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানিতেই প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে হবে বলে অডিটর জেনারেল অব ইন্ডিয়া-কে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
টাকা নয়ছয় করার অভিযোগ খতিয়ে দেখে ওই রিপোর্ট দিতে হবে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়কে হলফনামা দিয়ে জানাতে হবে অভিযুক্ত অফিসারদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। সিআইডি-কে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত। আগামী এপ্রিল মাসে এই মামলার শুনানি হবে।
বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালযের শীর্ষ প্রশাসনিক কর্তাদের যোগসাজশেই কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই মামলায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বেঞ্চ। সিআইডি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছে, অন্তত ২ কোটি টাকার নয়ছয় হয়েছে। সেই মামলায় এখন তদন্তে নেমেছে ইডি-ও।
সিআইডি প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্টে আগেই জানানো হয়েছে, অন্তত ২ কোটি টাকা নয়ছয় হয়েছে। সিআইডি-র রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৬টি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। ৯ জন অভিযুক্তের মধ্যে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁরা এখন জামিনে মুক্ত। আর দু’জন আগাম জামিন নেন। একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে টাকা নয়ছয় হয়েছে বলে অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত ৪০ জন সাক্ষী দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি।
