Calcutta Stock Exchange: ঘুরে দাঁড়াবে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ? কলকাতায় এসে যা বললেন সেবি চেয়ারম্যান…

SEBI Conditions for CSE Revival: রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত CSE-কে পুনরুজ্জীবিত করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই প্রতিষ্ঠানকে নতুন সরকার শুধু একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে নয়, বরং বাংলার অর্থনৈতিক গৌরব ও শিল্পোন্নয়নের প্রতীক হিসেবে দেখছে।

Calcutta Stock Exchange: ঘুরে দাঁড়াবে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ? কলকাতায় এসে যা বললেন সেবি চেয়ারম্যান...
SEBI চেয়ারম্যান তুহিনকান্ত পাণ্ডেImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Oct 31, 2026 | 9:51 PM

কলকাতা: ১১৮ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত। এক সময় দেশের অন্যতম প্রভাবশালী শেয়ার বাজার ছিল ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE)। কিন্তু, বিভিন্ন আইনি জটিলতায় তা বন্ধ হওয়ার মুখে। রাজ্যে পালাবদলের পর CSE-কে পুনরুজ্জীবিত করতে পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। CSE কি আগের অবস্থায় ফিরবে? শনিবার কলকাতায় এসে এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন সেবি (SEBI) চেয়ারম্যান তুহিনকান্ত পাণ্ডে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, CSE পুনরায় চালু করতে গেলে একাধিক শর্ত পূরণ এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন জরুরি।

১৯০৮ সালের ১ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা হয় ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ। এক সময় দেশের অন্যতম প্রভাবশালী শেয়ার বাজার ছিল CSE। মুম্বইয়ের পর CSE-কেই দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শেয়ার বাজার হিসেবে বিবেচনা করা হত। পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের শতাধিক সংস্থা এখানে তালিকাভুক্ত ছিল এবং হাজার হাজার বিনিয়োগকারী এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে লেনদেন করতেন।

কিন্তু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন, NSE ও BSE-র ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক জটিলতার কারণে ধীরে ধীরে CSE-র গুরুত্ব কমতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে এর ট্রেডিং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে এক্সচেঞ্জটি স্বেচ্ছায় কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করে।

রাজ্যে পালাবদলের পর বাংলায় বিজেপি সরকারের প্রথম বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত CSE-কে পুনরুজ্জীবিত করার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই প্রতিষ্ঠানকে নতুন সরকার শুধু একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে নয়, বরং বাংলার অর্থনৈতিক গৌরব ও শিল্পোন্নয়নের প্রতীক হিসেবে দেখছে।

CSE-কে পুনরুজ্জীবিত করা কতটা কঠিন?

এদিন কলকাতায় এসে এই প্রশ্নের মুখে পড়েন সেবির চেয়ারম্যান। টিভি৯ বাংলার প্রশ্নের জবাবে তুহিনকান্ত পাণ্ডে CSE-র আইনি লড়াইয়ের বিষয় তুলে ধরেন। একইসঙ্গে জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে CSE-ই এক্সিট আবেদন জানিয়েছিল।

আঞ্চলিক স্টক এক্সচেঞ্জগুলি যে নিজেদের গুটিয়ে নিচ্ছে, সেকথাও জানালেন সেবির চেয়ারম্যান। বললেন, বেশিরভাগ আঞ্চলিক স্টক এক্সচেঞ্জ নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। এখন তারা নিজেদের পুনরুজ্জীবিত করতে চাইলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। বিজনেস প্ল্যান থাকতে হবে। কিছু শর্ত মানতে হবে। কোনও আঞ্চলিক স্টক এক্সচেঞ্জ যদি নিজেদের পুনরুজ্জীবিত করতে সেবির সঙ্গে যোগাযোগ করে, তবে তাদের সব শর্ত পূরণ করতে হবে বলে স্পষ্ট করে দিলেন তুহিনকান্ত পাণ্ডে। ফলে ক্যালকাটা স্টক এক্সচেঞ্জ আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us