
কলকাতা: চোরবাগান বিপর্যয়ে (Chorbagan Incident) কার গাফিলতি ছিল? কী কারণে দুর্ঘটনা? তদন্তে গঠন করা হয়েছে সিট। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “মানুষের ভুলেই চোরবাগানে বিপর্যয়। তদন্ত হচ্ছে।” তবে, রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) মনে করছেন, মেগা ইভেন্টে ছোটখাটো ভুল ত্রুটি হয়ে থাকে। তবে, বিষয়টা সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত ছিল পুলিশের। তাঁর কথায়, “ছোট্ট ভুলের জন্য বড় ঘটনা ঘটে গেল।”
চোরবাগানের ঘটনা প্রসঙ্গে টিভি৯ বাংলাকে দিলীপ ঘোষ বলেন, “এত বড় মেগা ইভেন্ট। সেখানে একটা দু’টো ছোটখাটো ভুল-ত্রুটি হয়েই থাকে। অনেক উন্নত দেশেও এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিপিএম-এর আমলে ৩৪-৩৫ জন মারা গিয়েছে হাওড়াতে। এরকম অনেক ইতিহাস রয়েছে। লোকে ভুলিয়ে দিতে চায়। আমি বলছি হওয়াটা ঠিক নয়। সতর্ক থাকা উচিৎ।”
এরপরই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দিলীপ বলেন, “যেটা হয়েছে শুনলাম ওখানে আয়োজকরা পুলিশও সিরিয়াসলি নেয়নি। সিরিয়াসলি নেওয়া উচিত ছিল। পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। ছোট্ট ভুলের জন্য বড় ঘটনা ঘটে গেল। বাকি এত সুন্দরভাবে পুজো ভালভাবে সব জায়গায় হয়েছে। যাঁরা পুজোয় গন্ডগোল করতে পারেনি, অতৃপ্ত আত্মারা চাইছিল গন্ডগোল হোক। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে মানুষকে উস্কানি দেওয়ার চেষ্টা করছে।”
এর আগে চোরবাগানের ঘটনা নিয়ে মোহন ভাগবত বলেছিলেন, “কলকাতার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার জন্য প্রকৃতিকে দায়ী করা ঠিক নয়। ওই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য মানুষের ভুলই দায়ী।” ভাগবতের বক্তব্যকে সমর্থন করেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মোহন ভাগবতজী যে কথা বলেছেন, সঠিক কথা বলেছেন। এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” তাঁর সংযোজন, “সেই মানুষটা দর্শনার্থী কিনা, চক্রান্তকারী কিনা, টেম্পোরারি হোম গার্ড কিনা, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক কিনা, বা অন্য কেউ, সেটা দেখা হবে। মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না।”