
কলকাতা: বিপর্যয়ের পর বিসর্জন নিয়ে আতান্তরে পড়েছে চোরবাগান সর্বজনীন। মৃত্যুমিছিলের পর বেশিরভাগ উদ্যোক্তাই পলাতক। কোনওক্রমে পুজোর নিয়ম পালন হলেও বিসর্জন কারা করবেন? ধন্দে এলাকার বাসিন্দারাই।
দশমীর দিন প্রত্যেকটা পুজো মণ্ডপে সিঁদুর খেলার ছবি। ঢাক বাজছে, প্রতিমাকে বরণ করছেন এলাকার মহিলারা, মা-ঠাকুমার হাত ধরে প্যান্ডেলে হাজির হচ্ছে খুদেরা, চলছে মিষ্টিমুখ, সেখানে দাঁড়িয়ে একেবারেই অন্য ছবি চোরবাগান সর্বজনীনে। এখানে শুধুই শূন্যতা।
এলাকার মহিলারা বলছেন, তাঁদের মন খারাপ। প্রতিবার তাঁরা এখানেই প্রতিমা বরণ করে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন। কিন্তু এত মৃত্যুমিছিলের পর তাঁদের মানসিকতাই আর ভালো নেই। মণ্ডপের সীমা টপকাচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু তাঁরা এখন ধন্দে পড়েছেন, প্রতিমা বিসর্জন কারা করবেন? পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তদন্ত শেষ হচ্ছে, ততক্ষণে প্রতিমাকে কেউ ছুঁতে পারবেন না। ঘটনার পর থেকে পুরোহিত কেবলমাত্র ঘটপুজো করেছেন, প্রতিমাকে ছুঁতে পারেননি। আজ ঘট বিসর্জন করলেও, প্রতিমা বিসর্জনের খবর নেই।
এলাকার মহিলা বলেন, “কষ্ট তো হচ্ছে। এতগুলো প্রাণ চলে গিয়েছে। পাশের পাড়ায় গিয়েছে সিঁদুর দিতে মাকে। কিছু তো করার নেই।”