
কলকাতা: মানুষের ভুলেই চোরবাগানের বিপর্যয়। সঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের বক্তব্যকেই সমর্থন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরও বক্তব্য, “মানুষের ভুলেই চোরবাগানে বিপর্যয়। কার দোষে বিপর্যয় ঘটেছে, তার তদন্ত হচ্ছে।” তাঁরও বক্তব্য, মাইকে বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়ছে। দড়ি ফেলে চলে যাওয়ার কথা ছিল না।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “মোহন ভাগবতজী যে কথা বলেছেন, সঠিক কথা বলেছেন। এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” তাঁর সংযোজন, “সেই মানুষটা দর্শনার্থী কিনা, চক্রান্তকারী কিনা, টেম্পোরারি হোম গার্ড কিনা, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক কিনা, বা অন্য কেউ, সেটা দেখা হবে। মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না। যাঁরা দড়িটা ধরে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের দড়িটা ছেড়ে যাওয়ার দরকার ছিল না।”
প্রসঙ্গত, বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতার সময় সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত বলেন, কলকাতার দুর্গাপুজোর মণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যুর ঘটনার জন্য প্রকৃতিকে দায়ী করা ঠিক নয়। ওই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য মানুষের ভুলই দায়ী। অর্থাৎ তাঁর তির সরকার এবং পুজো কমিটির দিকেই। এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পণ্ডাও।
প্রথম থেকেই চোরবাগান বিপর্যয়ে উদ্যোক্তাদের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে। মুখ্যমন্ত্রী ঘটনাস্থলে গিয়েই সাংবাদিকদের সামনে বলেছিলেন, সেখানে কর্তব্যরত এসিপি তাঁকে রিপোর্ট করেছিলেন, ৮.২০ মিনিট নাগাদ। মাইকে একটা ঘোষণা হওয়ার পরই হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। আর তারপরই দুর্ঘটনা।