Chorbagan Disaster: ‘৩ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া সত্যিই চ্যালেঞ্জিং’, চোরবাগানকাণ্ডে বললেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি! কেন?

Chorbagan Tragedy: বিপর্যয় মোকাবিলা, নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্যের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্সের সচিব, ডিজি-আইজি সহ আরও অনেকে। ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা সিটের। কিন্তু সিটের প্রধানের দাবি, তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জের।

Chorbagan Disaster: ৩ মাসের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়া সত্যিই চ্যালেঞ্জিং, চোরবাগানকাণ্ডে বললেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি! কেন?
বাঁদিকে হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Oct 22, 2026 | 12:16 PM

কলকাতা: চোরবাগান বিপর্যয়ে হাইকোর্টের নির্দেশে SIT গঠন করল রাজ্য সরকার। সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী। হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বেই সিট গঠনের কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কমিটিতে আরও অনেকে রয়েছেন। বিপর্যয় মোকাবিলা, নাগরিক সুরক্ষা দফতরের সচিব, রাজ্যের স্পেশ্যাল টাক্স ফোর্সের সচিব, ডিজি-আইজি সহ আরও অনেকে। ৩ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেওয়ার কথা সিটের। কিন্তু সিটের প্রধানের দাবি, তিন মাসের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়া অবশ্যই চ্যালেঞ্জের।

সিটের প্রধান হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অনিন্দিতা রায় সরস্বতী বলেন, “এখনও তো বিস্তারিত কিছু আলোচনা হয়নি। প্রথমে আমাদের দেখতে হবে যে কার দোষে এই ঘটনাটি ঘটল। এতগুলো যে মৃত্যু, সেটা কী কী কারণে? সেটা খুঁজে বার করতে হবে। দোষীদের দোষী সাব্যস্ত করতে হবে। আর যাতে এই ঘটনা না ঘটে, পুজো কমিটিগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হবে। পরবর্তীক্ষেত্রে। ৩ মাসের রিপোর্ট জমা দেওয়াটা চ্যালেঞ্জিং। সময় তো বেশি নেই। তবে চেষ্টা তো করতেই হবে।”

মোট ১০টি বিষয়ে তদন্ত করবে SIT

১. ঘটনাক্রম অর্থাৎ ঠিক কী হয়েছিল, কখন, কীভাবে ভিড় এমন মারাত্মক আকার নিল।

৩. আবহাওয়া- সেদিনের আবহাওয়া রিপোর্ট, বৃষ্টি/বজ্রপাতের প্রভাব।

৪. প্যান্ডেলের পরিকাঠামো: রাস্তা, ব্যারিকেড, সিঁড়ি, গেট, ইমার্জেন্সি এক্সিট ঠিক ছিল কি না, দেখা হবে।

৫. উদ্যোক্তা ও প্রশাসনের ভূমিকা: পুজো কমিটি, পুলিশ, দমকল, হাসপাতাল, KMC, CESC, PWD কত দ্রুত রেসপন্স করেছে, সেটা দেখা হবে।

৬. প্রমাণ যাচাই: CCTV ফুটেজ, মোবাইল ভিডিয়ো, কল রেকর্ড, মেডিক্যাল রেকর্ড খতিয়ে দেখা হবে।

৭. অনুমতি ও পরিকল্পনা: ভিড় সামলানোর প্ল্যান, দুর্যোগ মোকাবিলা প্ল্যান, পুলিশ বন্দোবস্ত NDMA-র গাইডলাইন মেনে হয়েছিল কি না।

৮. গাফিলতি: কার গাফিলতি বা কর্তব্যে অবহেলা ছিল, তা খুঁজে বের করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।

৯. ক্ষতিপূরণ: আহত ও নিহতদের পরিবারকে কতটা সাহায্য/ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে বা দেওয়া উচিত।

১০. ভবিষ্যৎ ব্যবস্থা: উত্তর কলকাতার সরু গলিতে বড় পুজোর ভিড় কীভাবে বৈজ্ঞানিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায় – Footfall Limit, Entry-Exit Route, CCTV, মাইক, ইভাকুয়েশন প্ল্যান।

যদিও মুখ্যমন্ত্রী গতকালই সঙ্ঘচালক মোহন ভগবতের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথায়,  “মোহন ভাগবতজী যে কথা বলেছেন, সঠিক কথা বলেছেন। এটা মানুষের ভুল। আর সেই মানুষটা কোন জ্যাকেট পরেছিল, কোন জামা পরেছিল, কী লোগোতে ছিল, সেটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম দেখবে।” তাঁর সংযোজন, “সেই মানুষটা দর্শনার্থী কিনা, চক্রান্তকারী কিনা, টেম্পোরারি হোম গার্ড কিনা, ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবক কিনা, বা অন্য কেউ, সেটা দেখা হবে। মাইকে তো বলার দরকার ছিল না, প্যান্ডেল ভেঙে পড়বে। আমি তো মাঝ রাতে ২টোর সময়ে গিয়ে দেখেছি, তখন তো প্যান্ডেল ভেঙে পড়েনি। আমি তো নিজেই গোটা প্যান্ডেল ঘুরে দেখেছি। এটা দরকার ছিল না। যাঁরা দড়িটা ধরে দাঁড়িয়েছিল, তাঁদের দড়িটা ছেড়ে যাওয়ার দরকার ছিল না।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us