
কলকাতা: শনিবার দিল্লিতে সিজেপি আন্দোলনকে (CJP Protest) ঘিরে উত্তাল হয় দিল্লি। আজও পথে নামছে সিজেপি। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) ইস্তফা না দেওয়া পর্যন্ত রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলবে। ইতিমধ্যে সিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়েছে বিজেপি। আন্দোলনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়েছে। এবার একই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুধু তাই নয়, আন্দোলনকে ‘ফ্যাশন’ কটাক্ষ করলেন বিজেপি বিধায়ক।
রবিবার ফের সিজেপির আন্দোলনের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, আগেও এরকম অনেক দিন ধরে আন্দোলন হয়েছে। এটাও কিছুদিন চলবে। যাঁদের কোনও কাজ নেই, তাঁরাই আন্দোলন করেন বলে কটাক্ষ করেনি তিনি। বলেন, “আন্দোলন হোক না। অনেকে এক মাস ধরে অবস্থান করেছে। ভারতবর্ষে একটা ফ্যাশন রয়েছে, কিছু লোকের আন্দোলন করার। কাজ না থাকলে চল আন্দোলন করি। বিদেশি ফান্ডিং, এদিক-ওদিক, রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির খেলনা হয়ে এরা এসব করতেই থাকে। কিছুদিন চলবে।”
উল্লেখ্য, আজ ককরোচ জনতা পার্টি ফের একবার ‘যন্তর মন্তর চলো’ অভিযানের ডাক দিয়েছে। গতকাল আন্দোলন থেকে প্রায় তিনহাজার জনকে আটক করা হয়। অশান্তির আশঙ্কাতে বিমান থেকেই আটক করা হয় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। পরে জানা যায়, প্রিভেনটিভ অ্যারেস্ট করা হয়েছে। তবে, রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এদিকে, দিল্লিতে যন্তর-মন্তরে বিক্ষোভ (Jantar Mantar) কর্মসূচির মাঝে সিজেপিকে (CJP) কড়া বার্তা দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন বলেছেন, “দেশে অরাজক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কারা এই কাজ করছেন? দু’টি অরাজক গোষ্ঠী। একটি ইন্ডি জোটের নেতা রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে, অন্যটি অরবিন্দ কেজরীবাল এবং তাঁর সহযোগী সিজেপি-র নেতৃত্বে।”