CM Suvendu Adhikari: ‘আমরা ব্যর্থ নই’, অন-স্পট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, চোরবাগানের আহতদের কেন বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হল, সত্যিটা বললেন মুখ্যমন্ত্রী

CM Suvendu Adhikari on Chorbagan Stampede: চিকিৎসকদের বিবৃতি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "মেডিক্যাল কলেজে যারা ডিউটি ছেড়ে এসে স্টেটমেন্ট দিয়েছে রাজনৈতিক নেতার মতো, আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিবকে বলেছি ওই ছবিগুলি দেখে আইডেন্টিফাই করতে যে তাদের ওই সময়ে ডিউটি ছিল কি না।"

CM Suvendu Adhikari: আমরা ব্যর্থ নই, অন-স্পট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, চোরবাগানের আহতদের কেন বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো হল, সত্যিটা বললেন মুখ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।Image Credit source: TV9 বাংলা

|

Oct 20, 2026 | 9:47 PM

কলকাতা: নবমীর রাতে যখন শহর তথা রাজ্যজুড়ে জনজোয়ার, তখনও কাজে ব্যস্ত মুখ্যমন্ত্রী। নবমীর রাতে আচমকাই স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোজা হাজির কন্ট্রোল রুমে। সেখানে বিরাট স্ক্রিনে সরকারি হাসপাতালগুলির ব্যবস্থা-পরিকাঠামো খতিয়ে দেখলেন।

পুজোর মাঝে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের কন্ট্রোল রুমে যান। এবার পৌঁছে গেলেন স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুমে। পুজোর মধ্যে হাসপাতালের পরিস্থিতি কী, তা দেখতেই তিনি হাজির হন। দালাল চক্র ফের সক্রিয় হয়েছে কি না, পুলিশি পর্যাপ্ত নজরদারি রয়েছে কি না- তা খতিয়ে দেখেন। সঙ্গে রয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। উপস্থিত রয়েছেন স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম ও অন্যান্য স্বাস্থ্য অধিকর্তারা।

এ দিন স্বাস্থ্য ভবন থেকেই চোরবাগানের ঘটনা এবং আহতদের বেসরকারি হাসপাতালে পাঠানো নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “দেখুন, আমরা সর্বোত্তম চিকিৎসা দিতে চেয়েছিলাম। সেখানে আমাদের সরকারি হাসপাতালগুলিতে ব্যর্থতা নয়, কমজোরি আছে। আমি প্রাইভেট হাসপাতালের মার্কেটিং করব না। প্রাইভেট হাসপাতালগুলি কস্ট ডিমান্ড করে, আমরা বরং বলেছি যে আয়ুষ্মান ভারতের খরচে তোমরা বিল করে দাও। এটা মানবিক কারণ ছিল।

চিকিৎসকদের বিবৃতি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “মেডিক্যাল কলেজে যারা ডিউটি ছেড়ে এসে স্টেটমেন্ট দিয়েছে রাজনৈতিক নেতার মতো, আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বাস্থ্যসচিবকে বলেছি ওই ছবিগুলি দেখে আইডেন্টিফাই করতে যে তাদের ওই সময়ে ডিউটি ছিল কি না। সেটার একটা রিপোর্ট সিএমও-তে দিতে হবে। যদি ডিউটি চলাকালীন কেউ বিবৃতি দেন, তাহলে প্রতিহিংসা নয়, এটা কিন্তু সার্ভিস রুলের পরিপন্থী। এই সার্ভিসটা হচ্ছে ইমার্জেন্সি সার্ভিস, এর সঙ্গে মানবিকতাও রয়েছে, দায়বদ্ধতাও রয়েছে। আমি বিতর্কে যেতে চাই না, কিন্তু যে সার্ভিসটা কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ দিতে পারত, তার থেকে ভালো পরিষেবা প্রাইভেটে দেওয়া যাবে বলে আমরা সর্বোত্তম চেষ্টা করেছিলাম যে ১৯টা জীবনের পর আর যেন একটাও প্রাণহানি না হয়। আমরা খুশির সঙ্গে জানাচ্ছি যে ২৫ জনের চিকিৎসা শুরু হওয়ার পর একজনেরও প্রাণহানি হয়নি।”

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “অনেক সময় চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয়। আমরা অন স্পট সিদ্ধান্ত নিই। স্বাস্থ্য দফতরের যারা বাড়িতে ছিলেন, কেউ পরিবারের সঙ্গে ছিলেন, কেউ ডিনার করছিলেন, এমএসভিপি থেকে সবাই সব ছেড়ে চলে আসেন। অনেকে যানজটে আটকে গিয়েছিলেন, ওলা-উবার ধরে, বাইক নিয়ে, যে যেভাবে পেরেছেন, এক ঘণ্টার মধ্যে সবাই পৌঁছে গিয়েছিলেন। আমাদের ব্যর্থতা নেই। অনেকে শারদ্বত বাবু ও প্রধান সচিবের সমালোচনা করেছেন, বলেছেন যে আপনি ব্যর্থ। আমি বলব যে আপনারা ব্যর্থ নন, ওখানে যা অ্যারেঞ্জমেন্ট ছিল, তার থেকে অনেক বেটার অ্যারেঞ্জমেন্ট দেওয়া হয়েছে। প্রাইভেট হাসপাতালের সমকক্ষ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা করতে আমাদের দুই বছর সময় লাগবে। ছয় মাস হয়েছে, আরও দেড় বছর সময় লাগবে। মাত্র একটা কিস্তির টাকা ব্যবহার করেছি। এতে সময় লাগবে। এখনও চিকিৎসক, নার্স নিয়োগ শুরু হয়নি। আপনি তো চাঁদ থেকে, মঙ্গল গ্রহ থেকে নিতে পারবেন না, এখান থেকেই নিতে হবে। গৌতম আদানি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছেন যে ১৮ মাসের মধ্যে আরোগ্য মন্দির চালু করা হবে।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us