Tala Pratya pandal contro: ২১৪ টাকা দিয়ে ঢুকতে হচ্ছে টালা প্রত্যয়ে, ‘চার্জ’ নেওয়ার কারণ জানাল ক্লাব

পুজো উদ্যোক্তা শুভঙ্কর সাহা বলেন, "এটা ভুল বলা বার্তা। কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না। শিল্পী সুশান্ত পাল একটি মিউজিক তৈরি করেছেন। সেটি আমরা বলেছিলাম অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করে ফিল করুন। আর এই ডাউনলোডের জন্য একটা চার্জ থাকে। সেটা খুবই নূন্যতম চার্জ। তার বদলে দুটো করে পাস দিয়েছি। টাকা দিয়ে ঢোকাচ্ছে না কেউ। আগামী ১৫ তারিখ থেকে জেনারেল লাইন খোলা হচ্ছ।"

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Oct 13, 2026 | 2:12 PM

কলকাতা: রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, কোনও পুজো মণ্ডপ যেন ঠাকুর দেখার জন্য টাকা না নেয়। কিন্তু তারপরও টালা প্রত্যয়ের বিরুদ্ধে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ। সুস্মিতা দে নামে এক দর্শনার্থীর দাবি, চতুর্থীর আগে টালা প্রত্যয়ে ঢুকলেই ২১৪ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেটি ব্যাপক ভাইরালও হয়। এলাকার বিজেপি বিধায়ক ঋতেশ তিওয়ারির দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেন ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসুর হাত রয়েছে।

সুস্মিতা দে’র সংশ্লিষ্ট পোস্ট থেকে দেখা যাচ্ছে, তাঁর অভিযোগ ২১৪ টাকা প্রথমে জামা দিতে হচ্ছে। তারপর স্ক্যান করে সেই টাকা দিলে তবেই ভিতরে ঢুকতে হচ্ছে। এরপরই হু হু করে ভাইরাল হয় সেটি।

বিধায়ক ঋতেশ তিওয়ারি বলেন, “দুর্গাপুজোয় মণ্ডপে ঢোকার জন্য টিকিট বিক্রির পক্ষে আমরা কেউ নেই। এটা অন্যায়। আজকের দিনে কলা-কুশলীদের ইনভলমেন্ট বেড়েছে। আর এদের যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, পুজো কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় কীভাবে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে পর্যন্ত প্রিভিউ চলেছে। ওই ইভেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এইসব করেছে। আমি খবর পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে এটা বন্ধ করিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধনের কোনও মানুষ এক টাকা দিয়ে দর্শন করেননি। কোনও টাকা পয়সা দিয়ে পুজো দেখেনি।”

পুজো উদ্যোক্তা শুভঙ্কর সাহা বলেন, “এটা ভুল বার্তা। কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না। শিল্পী সুশান্ত পাল একটি মিউজিক তৈরি করেছেন। সেটি আমরা বলেছিলাম অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করে ফিল করুন। আর এই ডাউনলোডের জন্য একটা চার্জ থাকে। সেটা খুবই নূন্যতম চার্জ। তার বদলে দুটো করে পাস দিয়েছি। টাকা দিয়ে ঢোকাচ্ছে না কেউ। আগামী ১৫ তারিখ থেকে জেনারেল লাইন খোলা হচ্ছ।”

কলকাতা: রাজ্য সরকারের স্পষ্ট নির্দেশ ছিল, কোনও পুজো মণ্ডপ যেন ঠাকুর দেখার জন্য টাকা না নেয়। কিন্তু তারপরও টালা প্রত্যয়ের বিরুদ্ধে উঠল বিস্ফোরক অভিযোগ। সুস্মিতা দে নামে এক দর্শনার্থীর দাবি, চতুর্থীর আগে টালা প্রত্যয়ে ঢুকলেই ২১৪ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। এরপরই ক্ষুব্ধ হয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেটি ব্যাপক ভাইরালও হয়। এলাকার বিজেপি বিধায়ক ঋতেশ তিওয়ারির দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেন ঘনিষ্ঠ ধ্রুবজ্যোতি বসুর হাত রয়েছে।

সুস্মিতা দে’র সংশ্লিষ্ট পোস্ট থেকে দেখা যাচ্ছে, তাঁর অভিযোগ ২১৪ টাকা প্রথমে জামা দিতে হচ্ছে। তারপর স্ক্যান করে সেই টাকা দিলে তবেই ভিতরে ঢুকতে হচ্ছে। এরপরই হু হু করে ভাইরাল হয় সেটি।

বিধায়ক ঋতেশ তিওয়ারি বলেন, “দুর্গাপুজোয় মণ্ডপে ঢোকার জন্য টিকিট বিক্রির পক্ষে আমরা কেউ নেই। এটা অন্যায়। আজকের দিনে কলা-কুশলীদের ইনভলমেন্ট বেড়েছে। আর এদের যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, পুজো কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় কীভাবে দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে পর্যন্ত প্রিভিউ চলেছে। ওই ইভেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এইসব করেছে। আমি খবর পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে এটা বন্ধ করিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধনের কোনও মানুষ এক টাকা দিয়ে দর্শন করেননি। কোনও টাকা পয়সা দিয়ে পুজো দেখেনি।”

পুজো উদ্যোক্তা শুভঙ্কর সাহা বলেন, “এটা ভুল বার্তা। কোনও টাকা নেওয়া হচ্ছে না। শিল্পী সুশান্ত পাল একটি মিউজিক তৈরি করেছেন। সেটি আমরা বলেছিলাম অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করে ফিল করুন। আর এই ডাউনলোডের জন্য একটা চার্জ থাকে। সেটা খুবই নূন্যতম চার্জ। তার বদলে দুটো করে পাস দিয়েছি। টাকা দিয়ে ঢোকাচ্ছে না কেউ। আগামী ১৫ তারিখ থেকে জেনারেল লাইন খোলা হচ্ছ।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us