Satarup on Suvendu: স্বামীজীর ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন: শতরূপ

Suvendu Adhikari: তিনি বলেছেন, "আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।" সেই সময়ই এ কথা ও কথায় বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।"

Satarup on Suvendu: স্বামীজীর ভাই ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন: শতরূপ
শতরূপ ঘোষ ও শুভেন্দু অধিকারীImage Credit source: PTI and Facebook

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Sep 12, 2026 | 7:12 PM

কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিশানায় বামেরা। দুর্গাপুজো নিয়ে লাগাতার তোপ দাগছেন তিনি। সিপিএম-এর স্টল নিয়ে আক্রমণের পর এবার তাঁর অভিযোগ, লাল পার্টির দেওয়া পুজো স্টলে থাকে না হিন্দুদের ধর্মীয় কোনও বই। এমনকী, বিবেকান্দের বইও থাকে না বলে দাবি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের এবার মন্তব্য করলেন সিপিএম (CPM) নেতা শতরূপ ঘোষ (Satarup ghosh)।

এ দিন, শতরূপ বলেন, “একটু আগে দেখলাম শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, সিপিএমের বইয়ের স্টলে মার্ক্স, লেনিনের বই পাওয়া যায়। বিবেকানন্দর বই পাওয়া যায় না। মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে দু’টি তথ্য দিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “এক, সিপিএর স্টলে বিবেকানন্দর লেখা এবং বিবেকানন্দকে নিয়ে লেখা, এই দুই ধরনেরই একাধিক বই পাওয়া যায়। দুই, আজ থেকে প্রায় ১২০ বছর আগে বাঙালিকে প্রথম মার্ক্স, লেনিনের বই পড়তে শিখিয়েছিলেন যিনি, তিনি হলেন স্বামী বিবেকানন্দের নিজের ভাই, বিপ্লবী ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত।”

সম্প্রতি বিধানসভা থেকে বামেদের নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, এবার থেকে পুজোয় স্টল দিতে চাইলে শারদোৎসব না লিখে দুর্গা পূজা লিখতে হবে কমিউনিস্টদের।এরপর আজ ফের গণেশ পুজোর উদ্বোধনে গিয়ে তাঁর নিশানায় বামেরা। আজ প্রথমে তিনি বলেছেন, “আরতি, পুষ্পাঞ্জলি, প্রসাদ সব ভুলিয়ে দিয়েছিল ৩৪ বছরের লাল রাজত্ব।” সেই সময়ই এ কথা ও কথায় বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “প্যান্ডেল থেকে দূরে লাল শালু লাগিয়ে বসত। সেখানে যে বইগুলো থাকত, তার মধ্যে একটাও স্বামী বিবেকানন্দের লেখা পাবেন না। উদ্বোধন প্রকাশনী (বেলুড় মঠ), প্রণব প্রকাশনী (ভারত সেবাশ্রম) পাবেন না। পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন না। ভারত ভাগ সম্পর্কে কোনও বই পাবেন না। কার্ল মার্ক্স লেনিনের বই পাবেন। হাজার চেষ্টা করলেও গীতা, হনুমান চল্লিশা পাবেন না।”

গীতা-হনুমান চল্লিশা নিয়ে মন্তব্য নিয়েও বক্তব্য রেখেছেন সৃজন ভট্টাচার্য। বলেন, “মার্কসবাদীদের স্টলে মার্কস-এঙ্গেলেসের বই থাকাই তো স্বাভাবিক। গীতা প্রেসে মার্কস-এঙ্গেলেসের বই থাকে? গীতা প্রেসে চন্দ্রশেখর আজাদ, গীতা প্রেসে বিসমিল্লাহের বই থাকে? গীতা প্রেসে ভগৎ সিংয়ের বই থাকে? কেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কথা গীতা প্রেসে তোলা হয় না। পরিষ্কার করে শুভেন্দুবাবু জানান।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us