কলকাতা: বঙ্গে ২৮ জানুয়ারি রাহুল গান্ধীর সভা। অথচ এখনও সেই সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। জোটের ডামাডোলের মধ্যেই একদিকে কংগ্রেস যখন রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করছে। তখন এই বিষয় নিয়ে মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। শুক্রবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাজ্যপাল বোস বলেন, “এখানে প্রশাসন আছে, তারা দেখছে। না দেখলে আমি দেখব।”
রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন। বাংলাতেও এসেছে। ২৮ তারিখ রাহুল উত্তরবঙ্গের কোথাও সভা করবেন, তেমনই পরিকল্পনা কংগ্রেসের। কিন্তু সেই সভাস্থল ও সভার তারিখ ঠিক করতে কংগ্রেসকে বেগ পেতে হচ্ছে বঙ্গে বলে দাবি তাদের।
এ বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “মণিপুরে বিজেপি সরকারের সহযোগিতা আমরা পাইনি। নানারকম বাধা পেয়েছি। বাংলাতে ঢোকার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের কাছ থেকে যে সহযোগিতা আশা করেছিলাম তা পাচ্ছি না। ২৮ তারিখ সভা করতে চেয়েছিলাম। তা সম্ভব হবে না মনে হচ্ছে। প্রশাসন অনুমতি দিচ্ছে না।”
অধীরের দাবি, সমস্ত বিষয়ে অনেক আগে থেকেই তাঁরা প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। রাতারাতি রাহুল বাংলায় কর্মসূচি নিয়েছেন, এমন একেবারেই নয়। তারপরও কেন এই প্রতিবন্ধকতা প্রশ্ন তোলেন প্রদেশ সভাপতি। এমনিতেই এই মুহূর্তে ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে বাংলায় তো বটেই। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলায় নিজেদের মতো করেই লড়বেন তাঁরা। এবার রাহুলের সভা নিয়ে জটিলতা নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিচ্ছে।
কলকাতা: বঙ্গে ২৮ জানুয়ারি রাহুল গান্ধীর সভা। অথচ এখনও সেই সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। জোটের ডামাডোলের মধ্যেই একদিকে কংগ্রেস যখন রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করছে। তখন এই বিষয় নিয়ে মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। শুক্রবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে রাজ্যপাল বোস বলেন, “এখানে প্রশাসন আছে, তারা দেখছে। না দেখলে আমি দেখব।”
রাহুল গান্ধী ভারত জোড়ো ন্যায়যাত্রায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরছেন। বাংলাতেও এসেছে। ২৮ তারিখ রাহুল উত্তরবঙ্গের কোথাও সভা করবেন, তেমনই পরিকল্পনা কংগ্রেসের। কিন্তু সেই সভাস্থল ও সভার তারিখ ঠিক করতে কংগ্রেসকে বেগ পেতে হচ্ছে বঙ্গে বলে দাবি তাদের।
এ বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, “মণিপুরে বিজেপি সরকারের সহযোগিতা আমরা পাইনি। নানারকম বাধা পেয়েছি। বাংলাতে ঢোকার পর পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনের কাছ থেকে যে সহযোগিতা আশা করেছিলাম তা পাচ্ছি না। ২৮ তারিখ সভা করতে চেয়েছিলাম। তা সম্ভব হবে না মনে হচ্ছে। প্রশাসন অনুমতি দিচ্ছে না।”
অধীরের দাবি, সমস্ত বিষয়ে অনেক আগে থেকেই তাঁরা প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। রাতারাতি রাহুল বাংলায় কর্মসূচি নিয়েছেন, এমন একেবারেই নয়। তারপরও কেন এই প্রতিবন্ধকতা প্রশ্ন তোলেন প্রদেশ সভাপতি। এমনিতেই এই মুহূর্তে ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ প্রশ্নের মুখে। বিশেষ করে বাংলায় তো বটেই। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলায় নিজেদের মতো করেই লড়বেন তাঁরা। এবার রাহুলের সভা নিয়ে জটিলতা নতুন করে বিতর্ক উস্কে দিচ্ছে।