ECI: ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার রাতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিল কমিশন, কাদের নিয়োগ করল?

West Bengal assembly election: রবিবার রাতে এক নির্দেশে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে মুখ্যসচিব নিয়োগ করা হয়েছে। আর ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হচ্ছে। নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশ প্রসাদ মীনাকে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, এই দু'জনকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কোনও পদেও বসানো যাবে না।

ECI: ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার রাতেই রাজ্যের মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে সরিয়ে দিল কমিশন, কাদের নিয়োগ করল?
মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে পদ থেকে সরাল নির্বাচন কমিশনImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Mar 16, 2026 | 3:31 AM

কলকাতা: বিকেলে বাংলায় ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা। আর রাতেই বড় পদক্ষেপ জাতীয় নির্বাচন কমিশনের। রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী ও স্বরাষ্ট্রসচিব জগদীশ প্রসাদ মীনাকে পদ থেকে সরিয়ে দিল। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিব পদে কারা বসবেন, তাও জানিয়ে দিল। এই নির্দেশ কার্যকর করে সোমবার বিকেল ৩টার মধ্যে রিপোর্ট পাঠাতে বলেছে কমিশন। নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণার রাতেই কমিশনের এই পদক্ষেপ ঘিরে শোরগোল পড়েছে।

রবিবার বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে, বাংলায় ২ দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে বাংলায় আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি লাগু থাকা অবস্থায় কমিশন প্রশাসনিক আধিকারিকদের বদলির সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু, একেবারে মুখ্যসচিব বদল ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর তৎকালীন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। তাঁর জায়গায় মুখ্যসচিব করা হয় নন্দিনী চক্রবর্তীকে। রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব তিনি। তবে তাঁকে মুখ্যসচিব করা নিয়ে বিতর্কও বাধে। ওইসময় স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হয় জগদীশ প্রসাদ মীনাকে।

রবিবার রাতে এক নির্দেশে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১৯৯৩ ব্যাচের আইএএস দুষ্মন্ত নারিয়ালাকে মুখ্যসচিব নিয়োগ করা হয়েছে। আর ১৯৯৭ ব্যাচের আইএএস সংঘমিত্রা ঘোষকে স্বরাষ্ট্রসচিব পদে বসানো হচ্ছে। নন্দিনী চক্রবর্তী ও জগদীশ প্রসাদ মীনাকে শুধু পদ থেকে সরানোই নয়, কমিশন নির্দেশ দিয়েছে, এই দু’জনকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কোনও পদেও বসানো যাবে না। ভোট প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে বলে কমিশন জানিয়েছে।

রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার সময় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেছিলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। এই আবহে কমিশন আবার জানতে চেয়েছে, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময় কোন কোন পুলিশ অফিসারের এলাকায় হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সোমবার সন্ধে ৬টার মধ্যে সেইসব অফিসারদের নামের তালিকা পাঠাতে বলেছে কমিশন। ওই অফিসারদের নামের তালিকা পাওয়ার পর কমিশন কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।

Follow Us