
কলকাতা: সম্পত্তি নিয়ে তৃণমূলের তোলা অভিযোগে এবার জবাব দিল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। CEO- দফতরের করা পোস্টে কমিশনের মুখপাত্র আকাশ বাণীর পাশাপাশি রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকেও ট্যাগ করা হয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, মিসেস আগরওয়াল তাঁর বিয়ের আগে থেকেই বিষয়সম্পত্তির মালিক ও ১৯৮৩ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে তাঁর আয়কর রিটার্ন দাখিল করে আসছেন। তাঁর আর্থিক বিষয়গুলো স্বচ্ছ ও আইনসিদ্ধ। এরপরই একটি প্রবাদের উল্লেখ করে অভিযোগকারীদের খোঁচা দিয়েছে CEO দফতর। আর তাতে লেখা হয়েছে “বদনাম করে ফাঁসিতে ঝোলানোর চেষ্টা। সত্য ও আইনের শাসন জয়ী হবে।”
চন্দ্রিমার পোস্ট
২০১৩ সালের একটি খবরের স্ক্রিন শট পোস্ট করে সোমবার রাতে মনোজ আগরওয়ালের উদ্দেশ্যে চন্দ্রিমা লিখেছিলেন, “মনোজ আগরওয়াল আধিকারিকদের লক্ষ্মণরেখা মনে করিয়েছেন। সার্ভিস রুল বুক সম্পর্কে নানা কথা বলেছেন। কিন্তু কোথায় তাঁর নৈতিকতা থাকে, যখন তাঁর স্ত্রী ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে সিবিআই চার্জশিটে অবৈধ সম্পত্তি ও ৩০ টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের উল্লেখ রয়েছে।”
আর চন্দ্রিমার পোস্টের পরই মনোজ আগরওয়ালকে বিঁধতে ময়দানে নেমে পড়ে তৃণমূল নেতৃত্ব। একের পর এক পোস্ট করেছেন দেবাংশু ভট্টাচার্য ও সুদীপ রাহারা। এবার সেই অভিযোগ উড়িয়েই পাল্টা সরব CEO-র দফতর।
তৃণমূলের বক্তব্য
তৃণমূলের রাজ্য সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, “সব গুলিয়ে গিয়েছে। সব স্বৈরাচারী। মনোজ আগরওয়ালের বাড়িতে যখন ইডি রেড হয়েছিল, বাড়ির জানালা দিয়ে নোটের বান্ডিল পাশের জমিতে ফেলেছিলেন। সে তো রোমহর্ষক তদন্ত। এবার প্রশ্ন, তাঁর হয়ে নির্বাচন কমিশন বলতে গেলেন, এ তদন্ত তো তাদের হাতে ছিল না। শাক দিয়ে মাছ ঢাকা হচ্ছে।”
বিজেপির বক্তব্য
বিজেপির মুখপাত্র জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “যদি UPA জমানার কোনও আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, তার দায়ভার নিতে হয় তৎকালীন সরকারকে। UPA সরকারের শরিক ছিল তৃণমূল। CEO ও তাঁর বিরুদ্ধে মামলা যদি অ্যাকিউটাল হয়ে থাকে, এখনও পর্যন্তে রাজ্যের দুর্নীতি মামলাগুলোর ক্ষেত্রে তো হয়নি।”