কলকাতা: নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সোনারপুরে ব্য়াপক জনরোষের মুখে পড়েতে হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূল সাংসদকে মার, দেখা গেল রীতিমতো ডিমের বৃষ্টি। উঠল চোর চোর স্লোগান। শেষে দুই বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরলেও কোথাও ভর্তি নেওয়া হল অভিষেককে। হাসপাতাল থেকে স্যালাইন হাতে নিয়ে ফিরলেন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশে নিজের বাড়িতে। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসা। বিজেপির সরকারের হুমকিতেই ভর্তি নেয়নি দুই হাসপাতাল অভিযোগ মমতার। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এবার সামনে নতুন ভিডিয়ো।
বেলভিউ হাসপাতালে অভিষেককে ভর্তি করাতে চাপ দিয়েছেন মমতা। ভিডিয়ো পোস্ট করে এই দাবিই করেছেন বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। ভর্তি না নেওয়ায় বেলভিউ হাসপাতালের সিইও-র উপর চোটপাট শুরু করেন মমতা। সেই ভিডিয়োই পোস্ট করেছেন দেবজিৎ। তা নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দেবজিৎ সরকার বলছেন, জোর করে ভর্তি হাসপাতালের উপর চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হচ্ছে। মানুষ দেখুক, মানুষ জানুক কী হচ্ছে!
মমতা যদিও বলেন, “আমি যখন ওই হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আমাকে বলছিলেন, বিভিন্ন পুলিশের কাছ থেকে থ্রেট কল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসি সাউথ। সঙ্গে বিজেপি নেতারা। অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চিকিৎসকরা দুঃখিত।”
ইতিমধ্যেই এ ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। তৃণমূল জমানায় জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল অভিষেকের। পালাবদলের পর সেই নিরাপত্তা কমে যায়। এবার ফের বাড়ছে। তিনজন নিরাপত্তা রক্ষী সারাক্ষণ সঙ্গে থাকবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের।
কলকাতা: নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সোনারপুরে ব্য়াপক জনরোষের মুখে পড়েতে হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূল সাংসদকে মার, দেখা গেল রীতিমতো ডিমের বৃষ্টি। উঠল চোর চোর স্লোগান। শেষে দুই বেসরকারি হাসপাতালে ঘুরলেও কোথাও ভর্তি নেওয়া হল অভিষেককে। হাসপাতাল থেকে স্যালাইন হাতে নিয়ে ফিরলেন কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির পাশে নিজের বাড়িতে। আপাতত বাড়িতেই চিকিৎসা। বিজেপির সরকারের হুমকিতেই ভর্তি নেয়নি দুই হাসপাতাল অভিযোগ মমতার। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এবার সামনে নতুন ভিডিয়ো।
বেলভিউ হাসপাতালে অভিষেককে ভর্তি করাতে চাপ দিয়েছেন মমতা। ভিডিয়ো পোস্ট করে এই দাবিই করেছেন বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার। ভর্তি না নেওয়ায় বেলভিউ হাসপাতালের সিইও-র উপর চোটপাট শুরু করেন মমতা। সেই ভিডিয়োই পোস্ট করেছেন দেবজিৎ। তা নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দেবজিৎ সরকার বলছেন, জোর করে ভর্তি হাসপাতালের উপর চাপ সৃষ্টির প্রচেষ্টা হচ্ছে। মানুষ দেখুক, মানুষ জানুক কী হচ্ছে!
মমতা যদিও বলেন, “আমি যখন ওই হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আমাকে বলছিলেন, বিভিন্ন পুলিশের কাছ থেকে থ্রেট কল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসি সাউথ। সঙ্গে বিজেপি নেতারা। অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চিকিৎসকরা দুঃখিত।”
ইতিমধ্যেই এ ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক্স ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। তৃণমূল জমানায় জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা ছিল অভিষেকের। পালাবদলের পর সেই নিরাপত্তা কমে যায়। এবার ফের বাড়ছে। তিনজন নিরাপত্তা রক্ষী সারাক্ষণ সঙ্গে থাকবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের।