
কলকাতা: নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে গিয়ে সোনারপুরে তুমুল জনরোষের মুখে পড়েছিলেন। তাঁকে দেখা মাত্রই ফেটে বেরোলো ছাই ছাপা আগুন। সোজা যেতে হল হাসপাতালে, কিন্তু কেউ নিল না ভর্তি। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসা বাড়ি থেকেই। যা নিয়ে তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতির আঙিনা। জোর চর্চা জাতীয় রাজনীতির ময়দানেও। এই আবহে এদিনই কালীঘাটে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকে বসছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিকেল চারটার সময় হবে এই বৈঠক। এই বৈঠক পূর্ব ঘোষিত হলেও অভিষেক হেনস্থার পর বিধায়কদের বৈঠক যে রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
অন্যদিকে বিধানসভায় সই জাল-কাণ্ডেও তেড়েফুঁড়ে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। কুণাল ঘোষ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটদের বাড়িতেও গিয়েছিল সিআইডি। শনিবার বিকালে যায় অভিষেকের শান্তিনিকেতনেও। সোমবারই অভিষেককে তলব করা হয়েছে ভবানীভবনে। ফলেই এদিনের বৈঠকে সই কেলেঙ্কারির ইস্যুও উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। প্রসঙ্গত, আগামী ২ জুন রানি রাসমনিতে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে সেই কর্মসূচি নিয়েও চর্চা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে শেষ পাওয়া আপডেটে জানা যাচ্ছে সোনারপুরে অভিষেককে মারের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আপাতত বাড়িতেই ২ চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা হচ্ছে অভিষেকের। স্যালাইন চলছে, ব্যাথার ওষুধ খেতে বলেছেন চিকিৎসকরা। রাতেও অভিষেকের গা বমি ভাব ছিল বলে খবর। বেশ কিছুক্ষণ ধরে অক্সিজেন চলেছে। গভীর রাত পর্যন্ত বাড়িতে ছিলেন খোদ মমতা।