
কলকাতা: দলের ভরাডুবির পর ২৬ দিনের মাথায় প্রথম কর্মসূচিতেই বেরিয়েই জনতার রোষানলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। ডিম, চোর চোর স্লোগান কিছুই বাদ গেল না। এদিকে যে এলাকায় মার খেলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড সেই সোনারপুরে মাত্র একমাস আগে বিধায়ক ছিলেন তৃণমূলের লাভলি মৈত্র। অন্যদিকে অভিষেকের কেসে এখনও পর্যন্ত পুলিশের জালে ৭। সূত্রের খবর, ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, আটক করা হয়েছে ৩ জনকে। ধৃতদের মধ্যে অনেকেই সক্রিয় তৃণমূল কর্মী রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। অনেকেই প্রাক্তন বিধায়কের ঘনিষ্ঠ বলেও জানা যাচ্ছে। ঘটনার সময়ের ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে পুলিশ।
ধৃতদের তালিকাতেই রয়েছেন নির্মাল্য সেনগুপ্ত, দেবাশিস দত্ত, কাজল দাস। তিনজনেই লাভলি মৈত্রর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পুলিশ সূত্রে খবর। যদিও লাভলি মৈত্র বলছেন এই নামে ওখানে কেউ তৃণমূল করে বলে তিনি জানেন না। তিনি বলছেন, “আমি বেশ কিছু দিন ধরেই কলকাতার বাইরে আছি। ঘটনা নিয়ে বেশি কিছু জানি না। তবে বিজেপির অনেক লোক রয়েছে যাঁদের নামে নারী নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে তারা সব এখন সাধু হয়ে গিয়েছে।” এরপরই তার সংযোজন, “আমি যদি বাইরে না থাকতাম তাহলে আমি ওখানে যেতাম। গতকাল যা হয়েছে তা গণতন্ত্রের লজ্জা। বাংলার পুলিশ-প্রশাসন-আইন কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে সেটা গোটা দেশ দেখল। আগামীতে এভাবে চলতে থাকলে বাংলার মানুষ উত্তর দেবে।”
তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ যদিও বলছেন, “বেশ করেছে অ্য়ারেস্ট করেছে। কিন্তু পাথর ছোড়ার ঘটনা সবাই দেখেছে। ওই ছেলেটা যারই ঘনিষ্ঠ হোক কেন গ্রেফতার হয়েছে কিনা দেখা দরকার। সংখ্যা তত্ত্বের হিসাবে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে প্রাক্তন তৃণমূল বলছে। যদি তৃণমূল হয়ে থাকে তাহলে গ্রেফতার করে বেশ করেছে পুলিশ।”