
কলকাতা: এখনও ইস্তফা দেননি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নামের পাশে ‘প্রাক্তন’ শব্দের ব্যবহার শুধুই সময়ের অপেক্ষা। দুই শতাধিক আসন পেয়ে পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হয়েছে বিজেপি। এমনকী মমতার ঘরের কেন্দ্র ভবানীপুরেও ১৫ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে তাঁকে। মমতার পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তারই মধ্যে তাঁর বাড়ির সামনে থেকে সরল নিরাপত্তা।
৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটেই বরাবর থেকেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এটাই তাঁর পৈতৃক বাড়ি। রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত, তাঁর সেই বাড়িতে খুব বেশি বদল হয়নি। তবে বদলে গিয়েছিল হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের পরিবেশ। প্রথম দিকে তেমন কোনও বদল হলেও, ২০১৬-র পর মমতার বাড়ির নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। পরে তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তাটা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মেইন রোড থেকে ঢুকতে গেলেও গার্ডরেল পেরতে হত।
ওই এলাকার বাসিন্দাদের ঢুকতে গেলে জানাতে হত যে তিনি ওই এলাকায় থাকেন। অন্যান্যদেরও জানাতে গত যে ওই রাস্তায় তাঁরা কী কারণে যাচ্ছেন। এবার গার্ডরেল উঠে যাওয়ার পর যাতায়াতে আর কোনও বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে যে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে, তা বহাল থাকছে।
একাধিক বার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে ওই ব্যক্তিরা গ্রেফতারও হয়েছেন। কয়েক মাসে আগেও অপরিচিত কয়েকজন ব্যক্তি কালীঘাট রোডে তাঁর বাড়ির এলাকায় সিসিটিভির মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ ওঠে।