Chief Election Commissioner: ‘আপনাকে আর এখানে কাজ করতে হবে না’, কার উপর এত রেগে গেলেন জ্ঞানেশ?

Chief Election Commissioner India Gyanesh Kumar: নজরদারির পাশাপাশি আধিকারিকদের কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেও কমিশন এবার আপসহীন। সম্প্রতি এ নিয়ে অজার্ভারদের সঙ্গে বৈঠকও করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বৈঠকে ভিন রাজ্যের এক পর্যবেক্ষক নিজের এলাকার বুথের সংখ্যা বলতে না পারায় কমিশনের তীব্র ক্ষোভের মুখেও পড়েন।

Chief Election Commissioner: ‘আপনাকে আর এখানে কাজ করতে হবে না’, কার উপর এত রেগে গেলেন জ্ঞানেশ?
CEC জ্ঞানেশ কুমারImage Credit source: PTI

| Edited By: জয়দীপ দাস

Apr 08, 2026 | 3:50 PM

কলকাতা: আসন্ন নির্বাচনে কোনওরকম কারচুপি রুখতে নজিরবিহীনভাবে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমার স্পষ্ট জানিয়েছেন, বুথের সিসিটিভি ক্যামেরা কোনওভাবে বন্ধ থাকলে বা লেন্স কালো কাপড়ে ঢাকা থাকলে সেখানে কোনও অজুহাত ছাড়াই অবিলম্বে পুনর্নির্বাচন ঘোষণা করা হবে। রাজ্যে অতীতের অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে এবার ৩০০০ ক্যামেরার মাধ্যমে বুথের ভেতর, বাইরে ও রাস্তার মোড়ে কড়া নজরদারি চালানো হবে। গাফিলতি ধরা পড়লেই পর্যবেক্ষকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নজরদারির পাশাপাশি আধিকারিকদের কাজে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতেও কমিশন এবার আপসহীন। সম্প্রতি এ নিয়ে অজার্ভারদের সঙ্গে বৈঠকও করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বৈঠকে ভিন রাজ্যের এক পর্যবেক্ষক নিজের এলাকার বুথের সংখ্যা বলতে না পারায় কমিশনের তীব্র ক্ষোভের মুখেও পড়েন। সূত্রের খবর, সেই সময় অভিজ্ঞতার দোহাই দিলেও বিশেষ কাজ হয়নি। জ্ঞানেশ কুমার বলেন, বুথের সংখ্য়া জানেন না, নির্বাচন কী করবেন? এ ভাষাতেই তীব্র ভর্ৎসনা করেন জ্ঞানেশ। তখন ভিন রাজ্যের ওই পর্যবেক্ষক বলেন, আমি এ সম্পর্কে অতটা ভাল নই। এত দিন তাহলে কী করলেন? পাল্টা প্রশ্ন করা হয় কমিশনের তরফে। তখন পাল্টা চুপ করে থাকেননি ওই পর্যবেক্ষকও। সাফ বলেন, আমায় এভাবে বলতে পারেন না। আমি সাত বছর নির্বাচন করেছি। যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে আমার। এ কথা শুনেও চুপ করে থাকেননি জ্ঞানেশ। সঙ্গে সঙ্গে বলেন, আপনাকে আর এখানে কাজ করতে হবে না। অব্যহতি নিয়ে নিন।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই কড়া পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজে কোনও ধরনের শিথিলতা বা তথ্যের অভাব বরদাস্ত করা হবে না। প্রসঙ্গত, আধুনিক প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে এবার তৈরি করা হয়েছে বিশেষ কন্ট্রোল রুম, যেখানে ৯০টি উন্নত মানের স্ক্রিনের সামনে বসে ২০০ জন মাইক্রো অবজার্ভার প্রতিক্ষণ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবেন। বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এবার ভিড় বা সন্দেহজনক জমায়েত শনাক্ত করতে বিশেষ এআই চালিত সফটওয়্যার ব্যবহার করা হচ্ছে। কোনও বুথের চারপাশে অস্বাভাবিক জটলা দেখলেই এই সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। যার ফলে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হবে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগে থেকেই প্রতিটি বুথের ক্যামেরা সচল করে দেওয়া হবে। 

Follow Us