Teachers SSC Scam Case: প্রথমে ঢুকত ‘With Held’ মেসেজ, বিকাশ ভবনের ৪ তলায় একসেট জেরক্স নিয়ে যেত অযোগ্যরা, পার্থ ‘ঘনিষ্ঠ’ জেলখাটা সন্তুই নিয়োগে দুর্নীতির প্রক্রিয়া ধাপে-ধাপে বলে দিলেন

SSC Scam: সন্তুর কথা অনুযায়ী, "কুন্তল বলেছিল, দাদা তুমি (সন্তু) কাকুর বাড়ি চলে আসো। পার্টি ফান্ডে টাকা তুলে দিতে হবে। তারপর বলেছিল, বসের সঙ্গে সব কথা হয়ে গিয়েছে।" কে এই বস? তাও স্পষ্ট জানালেন সন্তু।

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Oct 03, 2026 | 7:44 PM

কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC) মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ইডি ও সিবিআই (CBI)-এর মতো তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে নাম রয়েছে। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ সেই সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় এবার মুখ খুললেন নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে। শুধু তাই নয়, পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে হত সেই কথাও জানালেন এক্সক্লুসিভ টিভি ৯ বাংলায়। সন্তু জানালেন, “কার হাতে টাকা দিয়েছি, জানাব।”

কীভাবে চলত নিয়োগে দুর্নীতি?

সন্তুর কথা অনুযায়ী, “কুন্তল বলেছিল, দাদা তুমি (সন্তু) কাকুর বাড়ি চলে আসো। পার্টি ফান্ডে টাকা তুলে দিতে হবে। তারপর বলেছিল, বসের সঙ্গে সব কথা হয়ে গিয়েছে।” কে এই বস? তাও স্পষ্ট জানালেন সন্তু।

পার্থ ঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তি আরও জানান, “আমাদের বলা হয়, যাঁরা উত্তীর্ণ হয়নি তাদের একটা তালিকা জমা দিতে হবে। বসের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিকাশ ভবনে সাক্ষাৎকারে ডাকা হবে। তার জন্য সমস্ত লিস্ট দিতে হবে। কুন্তলের কাছে লিস্ট জমা দিতে হত।”

লিস্ট জমা করার পর কী হত?

সন্তু বলেন, “যাঁরা উত্তীর্ণ হননি তাঁদের ফোনে With held এসএমএস (SMS) আসে। এদের ইন্টারভিউতে ডাকা হতো। বিকাশ ভবনে ৭ দিন ধরে চলে সাক্ষাৎকার পর্ব। অযোগ্য প্রার্থীরা মেসেজের প্রতিলিপি ও আধার কার্ড দেখায়। পুলিশ পুরো বিষয়টা দেখে ওদের চার তলায় পাঠিয়ে দেয়। এরপর নিজেদের নথির একসেট জেরক্স দেয়।”

পুরো পরিকল্পনা এখানেই শেষ হত না। এর পাশাপাশি এও জানান, “অযোগ্যরা বিকাশ ভবন থেকে বেরনো পর পাশের একটি বিখ্যাত শপিং মলে যেত। সেখানে কুন্তলের লোকেরা থাকত। তাদের কাছে তিন লক্ষ টাকা জমা করত। যেহেতু এই ইন্টারভিউটা রাত অবধি চলত। রাতে কুন্তল টাকাটা কাকুর বাড়ি জমা করে দিত।”

 

 

কলকাতা: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC) মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। ইডি ও সিবিআই (CBI)-এর মতো তদন্তকারী সংস্থার চার্জশিটে নাম রয়েছে। প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ সেই সন্তু গঙ্গোপাধ্যায় এবার মুখ খুললেন নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে। শুধু তাই নয়, পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে হত সেই কথাও জানালেন এক্সক্লুসিভ টিভি ৯ বাংলায়। সন্তু জানালেন, “কার হাতে টাকা দিয়েছি, জানাব।”

কীভাবে চলত নিয়োগে দুর্নীতি?

সন্তুর কথা অনুযায়ী, “কুন্তল বলেছিল, দাদা তুমি (সন্তু) কাকুর বাড়ি চলে আসো। পার্টি ফান্ডে টাকা তুলে দিতে হবে। তারপর বলেছিল, বসের সঙ্গে সব কথা হয়ে গিয়েছে।” কে এই বস? তাও স্পষ্ট জানালেন সন্তু।

পার্থ ঘনিষ্ঠ এই ব্যক্তি আরও জানান, “আমাদের বলা হয়, যাঁরা উত্তীর্ণ হয়নি তাদের একটা তালিকা জমা দিতে হবে। বসের সঙ্গে কথা হয়েছে। বিকাশ ভবনে সাক্ষাৎকারে ডাকা হবে। তার জন্য সমস্ত লিস্ট দিতে হবে। কুন্তলের কাছে লিস্ট জমা দিতে হত।”

লিস্ট জমা করার পর কী হত?

সন্তু বলেন, “যাঁরা উত্তীর্ণ হননি তাঁদের ফোনে With held এসএমএস (SMS) আসে। এদের ইন্টারভিউতে ডাকা হতো। বিকাশ ভবনে ৭ দিন ধরে চলে সাক্ষাৎকার পর্ব। অযোগ্য প্রার্থীরা মেসেজের প্রতিলিপি ও আধার কার্ড দেখায়। পুলিশ পুরো বিষয়টা দেখে ওদের চার তলায় পাঠিয়ে দেয়। এরপর নিজেদের নথির একসেট জেরক্স দেয়।”

পুরো পরিকল্পনা এখানেই শেষ হত না। এর পাশাপাশি এও জানান, “অযোগ্যরা বিকাশ ভবন থেকে বেরনো পর পাশের একটি বিখ্যাত শপিং মলে যেত। সেখানে কুন্তলের লোকেরা থাকত। তাদের কাছে তিন লক্ষ টাকা জমা করত। যেহেতু এই ইন্টারভিউটা রাত অবধি চলত। রাতে কুন্তল টাকাটা কাকুর বাড়ি জমা করে দিত।”

 

 

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us