কলকাতা: কয়লা পাচার নয়,আইপ্যাক (IPAC) কর্তা ভিনেশ চান্ডেল গ্রেফতার হয়েছেন ওই সংস্থার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া নতুন একটি মামলার ভিত্তিতে। দিল্লি পুলিশের ‘ইকোনমিক অফেন্স উইং’ শাখায় দায়ের হয় প্রতারণা মামলা। সেই তদন্তভার নিজেদের হাতে নিয়ে ভিনেস কুমার চান্ডেলকে গ্রেফতার করে ইডি।
কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে খবর, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পরই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের সঙ্গে কনফারেন্স কল করেন ধৃত IPAC ডিরেক্টর। অভিযোগ, তিনি নির্দেশ দেন ল্যাপটপ ও মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ই-মেইল মুছে দিতে। নিজের কাছে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডিলিট করেন তিনি বলে দাবি ইডির। প্রমাণ লোপাট করতেই সব তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির আধিকারিকদের।
IPAC সংস্থার অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ভিনেশ। তাঁর সিদ্ধান্তেই ‘৫০ শতাংশ চেক’ নীতি চালু হয়। অর্থাৎ সংস্থার কাজের ৫০ শতাংশ পেমেন্ট চেকে হত। বাকি টাকা নগদে আসত। ইডি জানতে পেরেছে, এই নগদ টাকার মধ্যেই রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি থেকে আসা টাকা, অন্যান্য হিসাব বহির্ভূত টাকা। সেই টাকাই পরবর্তীতে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে খাটানো হত বলে অভিযোগ ইডির।
কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আইপ্যাক-এর অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এসেছিল ‘রামসেতু ইনফ্রাস্টাকচার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থা থেকে। এটি কোনও ব্যাঙ্ক বা NBFC সংস্থা না। তারপরও কোনও চুক্তি ছাড়া সন্দেহজনকভাবে লোন দিয়েছিল। সেইখানেই তদন্তকারীদের বক্তব্য, এই রামসেতুর সংস্থার মধ্য দিয়েই হাওলার টাকা ঢুকিয়েছিল আইপ্যাক। এখানেই শেষ নয়, তদন্তকারীদের দাবি, ভিনেশ ও IPAC অন্য কর্মীদের বাড়িতে 2 এপ্রিল তল্লাশিতে যে নথি মিলেছে একই নথি মিলেছে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসেও। ফলত, সবটাই খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থা।
কলকাতা: কয়লা পাচার নয়,আইপ্যাক (IPAC) কর্তা ভিনেশ চান্ডেল গ্রেফতার হয়েছেন ওই সংস্থার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া নতুন একটি মামলার ভিত্তিতে। দিল্লি পুলিশের ‘ইকোনমিক অফেন্স উইং’ শাখায় দায়ের হয় প্রতারণা মামলা। সেই তদন্তভার নিজেদের হাতে নিয়ে ভিনেস কুমার চান্ডেলকে গ্রেফতার করে ইডি।
কেন্দ্রীয় এজেন্সি সূত্রে খবর, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পরই সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের সঙ্গে কনফারেন্স কল করেন ধৃত IPAC ডিরেক্টর। অভিযোগ, তিনি নির্দেশ দেন ল্যাপটপ ও মোবাইলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও ই-মেইল মুছে দিতে। নিজের কাছে থাকা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ডিলিট করেন তিনি বলে দাবি ইডির। প্রমাণ লোপাট করতেই সব তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ ইডির আধিকারিকদের।
IPAC সংস্থার অর্থনৈতিক বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন ভিনেশ। তাঁর সিদ্ধান্তেই ‘৫০ শতাংশ চেক’ নীতি চালু হয়। অর্থাৎ সংস্থার কাজের ৫০ শতাংশ পেমেন্ট চেকে হত। বাকি টাকা নগদে আসত। ইডি জানতে পেরেছে, এই নগদ টাকার মধ্যেই রয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি থেকে আসা টাকা, অন্যান্য হিসাব বহির্ভূত টাকা। সেই টাকাই পরবর্তীতে নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে খাটানো হত বলে অভিযোগ ইডির।
কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, ২০১৯-২০২০ এবং ২০২০-২০২১ অর্থবর্ষে আইপ্যাক-এর অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা এসেছিল ‘রামসেতু ইনফ্রাস্টাকচার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থা থেকে। এটি কোনও ব্যাঙ্ক বা NBFC সংস্থা না। তারপরও কোনও চুক্তি ছাড়া সন্দেহজনকভাবে লোন দিয়েছিল। সেইখানেই তদন্তকারীদের বক্তব্য, এই রামসেতুর সংস্থার মধ্য দিয়েই হাওলার টাকা ঢুকিয়েছিল আইপ্যাক। এখানেই শেষ নয়, তদন্তকারীদের দাবি, ভিনেশ ও IPAC অন্য কর্মীদের বাড়িতে 2 এপ্রিল তল্লাশিতে যে নথি মিলেছে একই নথি মিলেছে একটি রাজনৈতিক দলের অফিসেও। ফলত, সবটাই খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা সংস্থা।