
কলকাতা: কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টর। বেআইনি লেনদেন সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার ভিনেশ চান্ডেল। তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে ইডি। গত ২ এপ্রিল ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চলেছিল। ভোটের আগে এই গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইডির তরফে দাবি করা হয়েছে, ভিনেশের বাড়িতে তল্লাশির পরও তাঁদের তদন্ত প্রক্রিয়া চলছিল। সেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসে। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই গ্রেফতারি বলে দাবি কেন্দ্রীয় এজেন্সির। ইডি সূত্রে খবর, আইপ্যাকের অন্যতম ডিরেক্টরের উত্তরে সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কিন্তু এখানে IPAC-এর ভূমিকা ঠিক কী?
কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি, এখানেও রয়েছে হাওয়ালা যোগ। ২০ কোটি টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে এই সংস্থায় এসেছিল বলে অভিযোগ। যেই টাকা সরাসরি কয়লা পাচারের সঙ্গে যোগ ছিল বলে দাবি এজেন্সির। এই বিষয়েই তদন্ত করতে আইপ্যাকের বিভিন্ন কর্ণধারের বাড়িতে যান ED আধিকারিকরা। ঠিক যেমন কয়েক মাস আগে আইপ্যাকের অন্যতম কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ও সেক্টর ফাইভের অফিসে এসেছিলেন আধিকারিকরা। তবে তাঁদের বাধার মুখে পড়তে হয় এবং তাঁদের হাত থেকে নথি ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে। ঘটনার জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। তবে ভোটের আগে দিল্লিতে আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার গ্রেফতারি তাৎপর্যপূর্ণ।
বস্তুত, রবিবার খণ্ডঘোষের সভা মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “অনেককে গ্রেফতার করার চেষ্টা করা হবে। আজ মধ্যরাত থেকে অপারেশন শুরু হবে।” যদিও কারও নাম উল্লেখ তিনি করেননি। মমতার এই অভিযোগের মধ্যেই তৃণমূলের ভোট কুশলী সংস্থা আইপ্যাকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতার গ্রেফতারি নিতান্তই তাৎপর্যপূর্ণ।